• রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
  • ই-পেপার
সর্বশেষ
সর্বোচ্চ আদালতকে পাশ কাটিয়ে সরকার কিছুই করবে না: আইনমন্ত্রী নাইজেরিয়ান চক্রের মাধ্যমে চট্টগ্রামে কোকেন পাচার কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের অপেক্ষা করতে বললেন ব্যারিস্টার সুমন পদ্মা সেতুর সুরক্ষায় নদী শাসনে ব্যয় বাড়ছে পিএসসির উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীরসহ ৬ জনের রিমান্ড শুনানি পিছিয়েছে শৃঙ্খলা ভঙ্গের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার রপ্তানিতে বাংলাদেশ ব্যবহার করছে না রেল ট্রানজিট রাজাকারের পক্ষে স্লোগান সরকারবিরোধী নয়, রাষ্ট্রবিরোধী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়নি বঙ্গোপসাগরের জীববৈচিত্র্য নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র-আলোকচিত্র প্রদর্শনী

আমদানি ব্যয়ের চাপে বেড়ে গেছে চলতি হিসাবে ঘাটতি

Reporter Name / ৯৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আমদানি ব্যয়ের চাপে বেড়ে গেছে দেশের চলতি হিসাবে ঘাটতির পরিমাণ। গত অর্থবছরের ১১ মাসে ওই ঘাটতি ১৭ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। দেশ থেকে রপ্তানি বাড়লেও আমদানির সঙ্গে পার্থক্য অনেক বেড়ে গেছে। ওই সময়ে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে। কারণ বিদ্যমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে দেশের রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ফলে চলতি হিসাবে বড় অঙ্কের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে সামগ্রিক লেনদেনে ঘাটতি বেড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বিগত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) চলতি হিসাবে বাংলাদেশের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭২৩ কোটি ডলার। আর ২০২০-২১ অর্থবছরের একই সময়ে ঘাটতি ছিল মাত্র ২৭৮ কোটি ডলার। তার মানে ঘাটতি বেড়েছে ৬ গুণের বেশি। ২০২১-২২ অর্থবছরের ১১ মাসে আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৭ হাজার ৫৪০ কোটি ডলার। যা তার আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯ শতাংশ বেশি। তবে ওই সময়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩৩ শতাংশ। রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ৪ হাজার ৪৫৮ কোটি ডলার। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে ৩ হাজার ৮২ কোটি ডলার। ওই সময়ে রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ১৬ শতাংশ। ১১ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৯১৯ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ২ হাজার ২৮৪ কোটি ডলার।
সূত্র জানায়, চলতি হিসাবে ঘাটতি থাকলেও আর্থিক হিসাবে উদ্বৃত্ত অনেক বেড়েছে। উদ্বৃত্তের পরিমাণ ১ হাজার ৩৩৫ কোটি ডলার। বৈদেশিক ঋণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি এর বড় কারণ। এ সময়ে নিট বিদেশি ঋণ এসেছে ৬৮০ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ৪২৩ কোটি ডলার ছিল। তাছাড়া ওই সময়ে নিট বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে ২০৫ কোটি ডলার, যা আগের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেশি। আর্থিক হিসাবের অবস্থা ভালো থাকলেও সার্বিক লেনদেনে ঘাটতি হয়েছে ৪৩০ কোটি ডলার। এর কারণ চলতি হিসাবে বড় ঘাটতি। ২০২০-২১ অর্থবছরের একই সময়ে সার্বিক লেনদেনে ৮৫২ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category