• রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
যশোরে তীব্র তাপপ্রবাহে গলে যাচ্ছে সড়কের বিটুমিন জাল সার্টিফিকেট চক্র: জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যানকে গরিবদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা কমছে বাড়ছে গরমজনিত অসুস্থতা, হাসপাতালে রোগীদের চাপ ড্রিমলাইনারের কারিগরি বিষয়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে কথা বলতে মন্ত্রীর নির্দেশ গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার জন্য গ্রামে গ্রামে ঘুরছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৩য় ধাপের উপজেলা ভোটেও আপিল কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসক আগামী বাজেটে তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর দাবি জাতিসংঘে পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরল বাংলাদেশ দুর্নীতির অভিযোগের বিরুদ্ধে সাবেক আইজিপি বেনজীরের পাল্টা চ্যালেঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রমের উদ্বোধন

Reporter Name / ৯১ Time View
Update : বুধবার, ১৫ জুন, ২০২২

আব্দুল্লাহ আল মামুন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ :
“জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উনয়ন্নে অংশ নিন” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাতেও সপ্তাহ ব্যাপি প্রথমবারের মতো ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম-২০২২ এর উদ্বোধন হয়েছে।
জনশুমারি ও গৃহগণনা প্রকল্প বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ তথ্য পরিকল্পনা মন্ত্রাণালয়ের আয়োজনে বুধবার সকাল ৯টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে এ কর্মসূচি ও উদ্বোধনী শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খান।
উদ্বোধনের পর শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এসে একই স্থানে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দেবেন্দ্রনাথ উরাঁও, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মনোয়ারা খাতুন, জেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান, সদর উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মনজুরুল ইসলাম, চেম্বার্সের পরিচালক শহিদুল ইসলাম শহিদসহ শুমারির কাজে নিয়োজিত বিভিন্ন এলাকার জোনাল অফিসার, সুপারভাইজার, গণনাকারী ও স্কাউট দল অংশ নেন।
সদর উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ও উপজেলা শুমারি সমন্বয়কারী মনজুরুল ইসলাম বলেন, ১৫ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত শুমারি কার্যক্রম চলবে। সদর উপজেলায় তথ্য সংগ্রহ ও তদারকির কাজ করবেন এক হাজার ৫৭৮ জন। এরমধ্যে উপজেলা শুমারি সমন্বয়কারী একজন, ১৪ জন করে জোনাল অফিসার ও আইটি সুপারভাইজার, গণনাকারীর সুপারভাইজার ২২৯ জন ও এক হাজার ৩২০ জন গণনাকারী।
জেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা উম্মে কুলছুম জানান, শুমারির কাজকে সফল করতে জেলাজুড়ে কাজ করছেন চার হাজার ৭৩ জন গণনাকারী। তাঁদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ৭০১ জন সুপারভাইজার। সহযোগিতার জন্য রয়েছেন ৪৩ জন করে জোনাল অফিসার ও আইটি সুপারভাইজার। জেলার পাঁচ উপজেলায় একজন করে উপজেলা শুমারি সমন্বয়কারী রয়েছেন। পুরো জেলায় শুমারি সমন্বয়কারী রয়েছেন দুজন।
উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ এবং ২০১১ সালে যথাক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ এবং পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category