• শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
  • ই-পেপার
সর্বশেষ
যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নে কমলেও নতুন বাজারে পোশাক রপ্তানি বাড়ছে স্বাধীনতাবিরোধীরা কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: আইনমন্ত্রী বেনজীরের স্ত্রীর ঘের থেকে মাছ চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ সচেতনতার অভাবে অনেক মানুষ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত: প্রধান বিচারপতি আইনশৃঙ্খলা লঙ্ঘনের কর্মকা- বরদাশত করা হবে না: ডিএমপি কমিশনার মিয়ানমারের শতাধিক সেনা-সীমান্তরক্ষী ফের পালিয়ে এলো বাংলাদেশে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৫ ঢাকায় ছয় ঘণ্টায় রেকর্ড ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে জাপানের সহায়তা চাওয়া হয়েছে: পরিকল্পনামন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে চায় চীন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকা আত্মসাৎ, চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৪২২ Time View
Update : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
একটি বাহিনীতে মেস ওয়েটার ও সৈনিক পদে চাকুরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরির পর মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল একটি প্রতারক চক্র। চাকরি পেতে হলে বাহিনীর নিয়োগ বোর্ডে থাকা ব্যক্তিদের ৫ লাখ টাকা দিতে হবে বলে চাকরিপ্রত্যাশীদের জানান চক্রটি। এরপর ভুয়া নিয়োগপত্র বানিয়ে আরও দুই লাখ টাকা দাবি করা হতো। এমনই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে রাজধানীর সূত্রাপুর ও গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকা থেকে প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩। গ্রেপ্তাররা হলেন- চক্রের মূলহোতা- মো. কামরুজ্জামান (৩৩) ও মো. নাজির হোসেন (৩২)। গতকাল সোমবার দুপুরে র‌্যাব-৩ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীণা রাণী দাস এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য র‌্যাব-৩ এর একটি আভিযানিক দল গত রোববার রাজধানীর সূত্রাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রতারক চক্রের সদস্য নাজির হোসেনকে ও গাজীপুর থেকে চক্রের মূলহোতা কামরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার দুজন দীর্ঘদিন ধরে একটি বাহিনীতে মেস ওয়েটার ও সৈনিক পদে চাকুরি দেওয়ার প্রতিশ্রতি দিয়ে সাধারণ ও নিরীহ জনগণকে বিভিন্নভাবে প্রলুব্ধ করে ভুয়া নিয়োগপত্র প্রদানের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীণা রাণী দাস আরও বলেন, গ্রেপ্তার দুজন পরস্পর বন্ধু। নাজির একটি হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়। তিনি সুকৌশলে সাধারণ মানুষকে চাকরি দেওয়ার মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ভিক্টিমের বিশ্বস্ততা অর্জনের পর তিনি তার বন্ধু গ্রেপ্তার কামরুজ্জামানকে বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। কামরুজ্জামান চাকরিপ্রার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন, এর আগে তিনি বহু লোককে ওই বাহিনীতে চাকরি দিয়েছেন। তবে চাকরি পেতে হলে বাহিনীর নিয়োগ বোর্ডে যারা থাকেন তাদের ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। এভাবে প্রথমে একটি চুক্তিনামার মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা আদায় করা হতো। তিনি জানান, এরপর চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র নেয়ার পর প্রার্থীকে জানানো হয়, আপনাকে একটি পদের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। তবে নিয়োগপত্র পেতে আরও দুই লাখ টাকা দিতে হবে। র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, এভাবে চক্রটি ধাপে ধাপে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করতে থাকে। একপর্যায়ে চাকরিপ্রার্থীকে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এভাবে চক্রটি চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। তাদের বিরুদ্ধে সূত্রাপুর থানায় মামলা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category