• শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
স্বাস্থ্যসেবায় অভূতপূর্ব অর্জন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে: রাষ্ট্রপতি শান্তি আলোচনায় কেএনএফকে বিশ্বাস করেছিলাম, তারা ষড়যন্ত্র করেছে: সেনাপ্রধান বন কর্মকর্তার খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়: পরিবেশমন্ত্রী পুরান ঢাকার রাসায়নিক গুদাম: ১৪ বছর ধরে সরানোর অপেক্ষা ভাসানটেক বস্তিতে ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপন করা হবে : মেয়র আতিক রুমা উপজেলা সোনালী ব্যাংকের অপহৃত ম্যানেজার উদ্ধারের পর পরিবার কাছে হস্তান্তর সন্ত্রাসী দল কর্মকান্ড পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বান্দরবানে চলছে জমজমাট নাইট মিনিবার স্বাধীনতা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২৪ সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমেছে: প্রধানমন্ত্রী বান্দরবানে সোনালী ব্যাংকে লুটের ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে

নয়াপল্টনে সমাবেশ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Reporter Name / ৫৮ Time View
Update : বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ হওয়ার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, কেন নয়াপল্টনে করতে চায় সেটা আমাদের দেখার বিষয় আছে। তারা যে ঘোষণা দিচ্ছেন সেখানে বসেই তারা ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে, সেগুলোই যদি হয়ে থাকে তাহলে সরকার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ের আওলাদ হোসেন মার্কেটে এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, একটা রাজনৈতিক দল সমাবেশ করবে, তাতে কোনো বাধা নেই। দলের ইশতেহার অনুযায়ী তারা কাজ করবে এখানে সরকারের কোনো কিছু করার নেই। আমরা সব সময় বলে আসছি সেটাও নিয়ম মেনে চলতে হবে, দেশের যে প্রচলিত নিয়ম রয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, তারা নাকি ২০-২৫ লাখ লোকের সমাবেশ ঘটাবে। আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন ২০-২৫ লাখ যদি হয় কোথায় এটা বসাবে। এমন কোনো জায়গা আছে ঢাকায় তাদের স্থান দেওয়ার? সেজন্যই আমাদের পুলিশ কমিশনার বলেছেন যেখানে বড় বড় সমাবেশ-মিটিং হয় যেখানে আওয়ামী লীগও সমাবেশ করে, অন্যান্য রাজনৈতিক দলও করে সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কথা। সেখানে অনেক সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানও হয়। সেখানে এ ধরনের লোকসংখ্যা হলেও কোনো অসুবিধা হবে না। তারা কেন আসছে না এটা তাদের ব্যাপার, আমাদের কিছু জানা নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারপর তারা বলছে ওই স্থান বাদ দিয়ে অন্য কোনো স্থানে। পুলিশ কমিশনার বলেছেন রাস্তা ছাড়া কোনো বড় জায়গায় যদি হয় তাহলে তারা ব্যবস্থা নেবে। অনুমতি না নিয়ে পল্টনেই সমাবেশ করতে চাইলে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যানচলাচল বন্ধ করলে তারও একটি আইন রয়েছে। সরকার আইন প্রতিষ্ঠিত করতে ও আইনের সমুন্নত রাখার জন্য যা প্রয়োজন তাই করবে। এখানে আমাদের কথা হচ্ছে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। দেশের জানমাল রক্ষা করতে হবে। দেশে কেউ যদি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি করতে চায় তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর যে অর্পিত দায়িত্ব সেটা তারা করবে। নয়াপল্টনে সরকার সমাবেশ করতে দেবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেখানে দলের কার্যালয়ের সামনে তারা সবসময়ই তাৎক্ষণিক কিছু করে থাকে। তারা এ সমাবেশে বলছে ২৫ লাখ লোক আনবে। আমি সেই কারণে বলছি এ সমাবেশ করলে সমস্ত ঢাকা শহর কী অবস্থা হবে সেটা আপনারা নিজেরাও জানেন। সেজন্যই তাদের একটা ভালো জায়গা দিয়ে আসছি। সেখানে ছাত্রলীগের সম্মেলন ছিল, ছাত্রলীগের সম্মেলন আমরা অনুরোধ করে এগিয়ে নিয়ে আসছি এবং তাদের জন্য (বিএনপি) উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। আমার মনে হয় এটা কোনো যুক্তি নয় যে সেখানে ছাড়া তারা নয়াপল্টনেই যাবে। মানবাধিকারের প্রশ্নে ১৫ দেশের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া বিবৃতির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে একটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রয়েছে। মানবাধিকার কমিশন এবং আমাদের মানবাধিকার সমন্বিত রাখার জন্য আমাদের সরকার যতখানি সচেষ্ট আমি মনে করি পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে আমরা অনেক বেশি সচেষ্ট। মানবাধিকার ক্ষুণœ হোক পৃথিবীর অন্যান্য দেশ যেমন চায় না আমরাও চাই না। এর চেয়ে বেশি আমার মনে হয় বলার সময় আসেনি। রিজার্ভ বা দেশের ব্যাংকিং খাতের চলমান অবস্থা নিয়ে যে কোনো ধরনের গুজবে কান দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একটি জিনিস সবসময়ই বলি, গুজব কিংবা কে কী বললো এই নিয়ে কান দেবেন না। সত্যিকার তথ্যটা জানতে চেষ্টা করুন। সত্যিকার তথ্যটা জানলেই আপনার কাছে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে। তখন আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কী লেখা হলো না হলো তা সত্য কি না যাচাই করবেন। সত্য তথ্য জানার চেষ্টা করবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ঘরে বসে মোবাইলেই এখন ব্যাংকিং কার্যক্রম চালানো যায়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে কোন বিষয়ের প্রাধান্য পাবে তা আমরা জানি না। কিন্তু আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। অনেকেই তখন বলেছিলেন- এটা আবার কী। এখন আমরা দেখছি, প্রধানমন্ত্রী যদি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি না করতেন তাহলে আজ ঘরে বসে ব্যাংকিং লেনদেন করা সম্ভব হতো না। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এ বি এম মোজাম্মেল হক চৌধুরী, তেজগাঁও থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক আবদুর রশীদ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামীম হাসান প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category