• শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ০২:০৩ অপরাহ্ন
  • ই-পেপার
সর্বশেষ
ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা বেনজীরের অঢেল সম্পদে হতবাক হাইকোর্ট তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী দুয়েক সময় আমাদের ট্রলার-টহল বোটে মিয়ানমারের গুলি লেগেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম-নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সহকর্মীকে হত্যাকারী কনস্টেবল মানসিক ভারসাম্যহীন দাবি পরিবারের বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী চেকিংয়ের জন্য গাড়ি থামানো চাঁদাবাজির অংশ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সারা দেশে ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা কতজন জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট বান্দরবান থেকে কেএনএফের ৩১ জনকে পাঠানো হলো চট্টগ্রাম কারাগারে

প্রশ্নফাঁসে জড়িত সেই দুদক কর্মকর্তার জামিন হয়নি, আত্মসমর্পণের নির্দেশ

Reporter Name / ২১৭ Time View
Update : সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিভিন্ন চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের হোতাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক সহকারী পরিদর্শক মুহাম্মদ মফিজুর রহমানকে অর্থপাচারের অভিযোগে মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় জামিন দেননি হাইকোর্ট। তবে, তাকে আগামী ৬ সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আজ সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এদিন আদালতে পিটিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার এসএম মাসুদ হোসেম দোলন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি। দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ২১ অক্টোবর ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ডিবি পুলিশ মফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। ওই সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ব্যবহৃত আটটি মোবাইলসদৃশ ঘড়ি ও একটি চার্জার জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারের পরের দিন পুলিশ তার বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি মামলা করে। ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর দুদক (কর্মচারী) চাকরি বিধিমতে ‘অসদাচরণ’ ও ‘প্রতারণা’র অভিযোগে মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা করে কমিশন। ২০১৩ সালের ২০ জানুয়ারি মফিজুর রহমান কমিশনে তার জবাব দাখিল করেন। কিন্তু জবাব গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় বিভাগীয় মামলাটি তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কমিশনের একজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ করা হয়। তদন্তে মফিজুরের বিরুদ্ধে আনা ‘অসদাচরণ’ ও ‘প্রতারণা’র অভিযোগ প্রমাণিত হয় বলে তদন্ত কর্মকর্তা তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন। মফিজুর রহমানের লিখিত জবাব এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি শেষে তাকে বরখাস্ত করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category