• শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
স্বাস্থ্যসেবায় অভূতপূর্ব অর্জন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে: রাষ্ট্রপতি শান্তি আলোচনায় কেএনএফকে বিশ্বাস করেছিলাম, তারা ষড়যন্ত্র করেছে: সেনাপ্রধান বন কর্মকর্তার খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়: পরিবেশমন্ত্রী পুরান ঢাকার রাসায়নিক গুদাম: ১৪ বছর ধরে সরানোর অপেক্ষা ভাসানটেক বস্তিতে ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপন করা হবে : মেয়র আতিক রুমা উপজেলা সোনালী ব্যাংকের অপহৃত ম্যানেজার উদ্ধারের পর পরিবার কাছে হস্তান্তর সন্ত্রাসী দল কর্মকান্ড পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বান্দরবানে চলছে জমজমাট নাইট মিনিবার স্বাধীনতা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২৪ সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমেছে: প্রধানমন্ত্রী বান্দরবানে সোনালী ব্যাংকে লুটের ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে

বান্দরবানে ৩ ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name / ৫৬ Time View
Update : সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২

মোঃ জুয়েল হোসাইন :
বান্দরবানে তিন গরু ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ১০ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত। গতকাল সোমবার দুপুরে বান্দরবান জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দায়রা জজ মো. ফজলে এলাহী ভূইয়া এই রায় দেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৫ এপ্রিল যোহন ত্রিপুরা নামে এক ব্যাক্তি তার কাছে বেশ কয়েকটি ভালো গরু আছে বলে ব্যবসায়ী আবু নাঈমকে ফোন করে আলীকদম থেকে নয়টি গরু নিয়ে আসার আহবান জানান। পরে গরু ক্রয় করার জন্য তিন লাখ টাকা নিয়ে থানচি থেকে আলীকদমের ২৮ কিলোমিটার নামক স্থানে যান ব্যাবসায়ী আবু বক্কর এবং তার দুই সহযোগী নুরুল আফসার ও সাহাবুদ্দিন। ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাবসায়ী আবু বক্কর তার ছোট ভাইকে ফোন করে তাদের গরু পছন্দ হয়েছে বলে আরও ৫০ হাজার টাকা গরুর মালিকের বিকাশ নম্বরে পাঠাতে বলেন। এ ঘটনার এক ঘণ্টা পরে তাদের সবারই মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এদিকে দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করে ভাইসহ কারো কোনো হদিস না পাওয়ায় ১৬ এপ্রিল দুপুরে আবু নাঈম থানচি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এর পরপরই রাতে থানচি থানার পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করে আসামি যোহন ত্রিপুরাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তাতে তিনি জানান তারা ১০ জন মিলে ব্যবসায়ী আবু বক্কর এবং তার দুই সহযোগী নুরুল আফসার ও সাহাবুদ্দিনকে অপহরণ করেছিলেন। পরে টাকা, মোবাইল ফোন এবং মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের হত্যা করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পরে পুলিশ যোহন ত্রিপুরাকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু তিনি আবার আদালতের কাছে জামিন নিয়ে পালিয়ে যান।
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান জানান, ভিকটিম অভিযোগ মর্মে মামলাটি সত্য প্রমাণ হওয়ায় সকল আসামিকে মৃত্যুদ-ও জরিমানা ১০ হাজার টাকা অনাদায়ে (৬)মাসের কারাদ- ও ১০বছরের বিনাশ্রম কারাদ- দিয়েছে।
এঘটনায় আদালত রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীর ও সাক্ষ্য গ্রহণের পর এ রায় দেন। আদালত বাদী অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়েছে বলে জানান!
অপরদিকে, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন!
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল এ রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে এবং দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে ফাঁসির আদেশ কার্যকর করার আহবান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category