• সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
  • ই-পেপার

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিস্টার ও শিক্ষার্থী ভর্তি সংক্রান্ত ইউজিসির সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নে গড়িমসি

Reporter Name / ২২৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশে কর্মরত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দীর্ঘদিনেও শিক্ষার্থী ভর্তি এবং সেমিস্টার সংক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেনি। ইউজিসি বিগত ২০১৭ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ মাস পরপর আর নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না এবং বছরে ৩ সেমিস্টার পদ্ধতি উঠিয়ে দুটি সেমিস্টার চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আগ্রহ দেখায়নি। বরং বছরে তিনবার শিক্ষার্থী ভর্তিও মাধ্যমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেশি অর্থ আদায় করছে। অথচ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরে মাত্র একবার ছাত্র ভর্তি করা হয়। মূলত আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইউজিসির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গড়িমসি করে। ইউজিসি সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়ে ইউজিসি সিদ্ধান্ত নিলেও তা বাস্তবায়নে খুব একটা কঠোরতা দেখায়নি। তবে সর্বশেষ ২০২৩ সালের শুরু থেকে বছরে দুই সেমিস্টার চালুর জন্য নতুন নির্দেশনা দেয়া হয়। কারণ ৪ মাসের মধ্যে সিলেবাস কভার করা, পরীক্ষা দেয়া এবং ফলাফল প্রকাশ, তারপর আবার পরবর্তী সেমিস্টারে ক্লাস শুরু করা খুবই কঠিন। তাতে শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে। আর তা শুধু আর্থিক নয়, একাডেমিকও। ফলে শিক্ষার মান ধরে রাখা সম্ভব নয়।
সূত্র জানায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বছওে তিন সেমিস্টার চালু থাকায় শিক্ষার্থীদের থেকে সেশনসহ অন্যান্য খাতে বিপুল অর্থ আদায় করছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই বছরে তিন দফায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি করে পরে নিজেদের শিক্ষার্থীদেরই আর চিনতে পারে না। এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের বাড়তি ব্যয় কমাতে এবং লেখাপড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের বেশি সময়ের সুযোগ করে দিতেই ইউজিসি নতুন ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কারণ ত্রৈমাসিক পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা একটি সেমিস্টার শেষ করার জন্য ১৪ সপ্তাহ সময় পায়। কিন্তু শিক্ষার্থীদর সিলেবাস শেষ করার জন্য কমপক্ষে ৪২ সপ্তাহের প্রয়োজন। বছরে দুটি সেমিস্টার পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা এক বছরে মাত্র ৩৬ সপ্তাহ এবং প্রতি টার্মে ১৮ সপ্তাহের জন্য ব্যস্ত থাকবে এবং বাকি ১৬ সপ্তাহ গবেষণা, সেমিনার, পেপার লেখা, শিথিলকরণ এবং অন্যান্য কারিকুলাম অ্যাকটিভিটির জন্য সময় ব্যয় করতে পারবে। অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কোর্স কারিকুলাম শেষ না করেই পরীক্ষা নিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এমন অভিযোগ জমা পড়েছে।
এদিকে এ প্রসঙ্গে ইউজিসি পরিচালক ওমর ফারুখ জানান, ফলপ্রসূ শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে গেলে সেমিস্টার পদ্ধতি বছরে দুটি অনুসরণ করতে হবে। আগামী বছর থেকে তা বাস্তবায়ন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category