• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
  • ই-পেপার
সর্বশেষ
সর্বোচ্চ আদালতকে পাশ কাটিয়ে সরকার কিছুই করবে না: আইনমন্ত্রী নাইজেরিয়ান চক্রের মাধ্যমে চট্টগ্রামে কোকেন পাচার কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের অপেক্ষা করতে বললেন ব্যারিস্টার সুমন পদ্মা সেতুর সুরক্ষায় নদী শাসনে ব্যয় বাড়ছে পিএসসির উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীরসহ ৬ জনের রিমান্ড শুনানি পিছিয়েছে শৃঙ্খলা ভঙ্গের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার রপ্তানিতে বাংলাদেশ ব্যবহার করছে না রেল ট্রানজিট রাজাকারের পক্ষে স্লোগান সরকারবিরোধী নয়, রাষ্ট্রবিরোধী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়নি বঙ্গোপসাগরের জীববৈচিত্র্য নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র-আলোকচিত্র প্রদর্শনী

ভুয়া প্রতিষ্ঠানে ঋণ দিয়ে অর্থ লুটতেন এসবিএসি’র সাবেক চেয়ারম্যান: দুদক

Reporter Name / ৪৩৩ Time View
Update : রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অস্তিত্ববিহীন প্রতিষ্ঠানে ঝণ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ তদন্তে ব্যাংকটির সাবেক এমডিসহ ৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের নেতৃত্বে একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক এ তথ্য জানিয়েছেন। এদিন ব্যাংকটির ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি কর্মকর্তা (এমটিও) তপু কুমার সাহা, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিদ্যুৎ কুমার মন্ডল, অপারেশন ম্যানেজার মোহা. মজুরুল আলম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কর্মকর্তা খালেদ মোশারেফ, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. জিয়াউল লতিফ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো মামুনুর রশীদ মোল্লা, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. রফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। চেয়ারম্যান থাকাবস্থায় এসএম আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ তুলে তা লোপাট করার অভিযোগ উঠে। দুদকের অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত ওই ব্যাংক থেকে ৩০ কোটি টাকা সরানোর তথ্য পাওয়া গেছে। এস এম আমজাদ হোসেনের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরুর পর বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠায় দুদক। তাদের দেওয়া প্রতিবেদন যাচাই-বাছাইয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধানে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে কিছু না জানালেও দুদক সচিব ড.মু আনোয়ার হোসেন হাওলাদার জানান, এরইমধ্যে ব্যাংক থেকে রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে ও বিএফআইইউয়ের প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, খুলনা বিল্ডার্স লিমিটেডের নামে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে বিএফআইইউ। অথচ এ নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই। বিএফআইইউয়ের তদন্ত টিম সরেজমিনে গিয়ে এ ঠিকানায় কোনো প্রতিষ্ঠান খুঁজে পায়নি। অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় এস এম আমজাদ হোসেন নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংক ঋণ অনুমোদন করান এবং সেসব অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category