• মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
অগ্নিকা- প্রতিরোধে পদক্ষেপ পর্যালোচনায় বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন হাইকোর্টের রমজানে পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সুযোগ নেই: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী ১০ মার্চের মধ্যে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাবে ৫০ লাখ পরিবার: খাদ্যমন্ত্রী বীজে অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী ধানম-ির টুইন পিক টাওয়ারের ১২ রেস্তোরাঁ সিলগালা বান্দরবানে সাংবাদিকদের ২ দিন ব্যাপী আলোকচিত্র ও ভিডিওগ্রাফি প্রশিক্ষণ মজুদদারির বিরুদ্ধে ডিসিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকে অভিযানে ডিসিদের সহায়তা চাইলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদে অনির্বাচিত কেউ আসতে পারে না : স্পিকার ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রে মাওলানা আব্দুলাহ আনোয়ার আটক

রোহিঙ্গা ইস্যুকে জিইয়ে রেখে সরকার পশ্চিমা বিশ্বের সহানুভূতি চায়: ফখরুল

Reporter Name / ৪২১ Time View
Update : রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
রোহিঙ্গা ইস্যুকে জিইয়ে রেখে সরকার পশ্চিমা বিশ্বের সহমর্মিতা আদায় করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল রোববার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের নবগঠিত আংশিক কমিটির নেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন। জাতিসংঘ সফরে প্রধানমন্ত্রীর কী অর্জন দেখছেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, অর্জন তার একটাই, আরও বেশি মিথ্যাচার কীভাবে করা যায়। আপনারা লক্ষ্য করবেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। দেশে মানুষের অধিকারগুলো হরণ করা হয়েছে। দেশে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কীভাবে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করবেন- জাতিসংঘে দেওয়া তার গোটা বক্তব্যের কোথাও তিনি তা উল্লেখ করেননি। বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে মিথ্যাচার করেছেন। তার বিরুদ্ধে পত্রপত্রিকায় যেসব লেখালেখি হয়েছে তা খ-ানোর জন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে তিনি অনেকগুলো নেতিবাচক কথা বলেছেন। আমরা তার এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমরা আশা করি দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। আশা করি তারা পদত্যাগ করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনী সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমে ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। যাতে সত্যিকার অর্থে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হতে পারে। মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সবসময় প্রত্যাশা করি, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য, জনগণের যে অধিকার, ভোটের যে অধিকার, বাকস্বাধীনতার যে অধিকার, বেঁচে থাকবার যে অধিকার তা নিশ্চিত করবার জন্য তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। সংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, আমি কোনো আউটপুট পাইনি (প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে)। এমনকি রোহিঙ্গাদের যে সমস্যা, সে সমস্যারও কোনো সমাধান তিনি নিয়ে আসতে পারেননি। আমরা যেটা মনে করি, এখানে সবচেয়ে বড় যে প্রবলেম দাঁড়িয়েছে, রোহিঙ্গা ইস্যুকে নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী বলুন বা সরকার বলুন তারা কোনো ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেনি। এটা জিইয়ে রেখে পশ্চিমাদের সহানুভূতি আদাযয়ের চেষ্টা করছে। যারা স্টেকহোল্ডার আছে, যেমন স্পেন-ভারত তাদের কাছে এখন পর্যন্ত যেতে পারেনি। এই সমস্যা সমাধানের কোনো পথ তারা বের করতে পারেনি। মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের যে লক্ষ্য এই বর্তমানে ফ্যাসিস্ট দানবীয় সরকার, নির্বাচন না করেই যারা ক্ষমতা দখল করে আছে, তাদের সরিয়ে দেওয়া। জনগণের মধ্যে একটা আন্দোলন এবং একই সঙ্গে একটা গণঅভ্যুত্থানের জন্য আমরা কাজ করবো। ইনশাআল্লাহ এই নবগঠিত নেতৃত্বের মাধ্যমে আমরা এটা করতে সক্ষম হবো। এসময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কৃষকদলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, সহ- সভাপতি অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, যুগ্ম সম্পাদক প্রকৌশলী টিএস আইয়ুব, যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ হোসেন এমপি ও দপ্তর সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category