• শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
  • ই-পেপার
সর্বশেষ
ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা বেনজীরের অঢেল সম্পদে হতবাক হাইকোর্ট তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী দুয়েক সময় আমাদের ট্রলার-টহল বোটে মিয়ানমারের গুলি লেগেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম-নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সহকর্মীকে হত্যাকারী কনস্টেবল মানসিক ভারসাম্যহীন দাবি পরিবারের বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী চেকিংয়ের জন্য গাড়ি থামানো চাঁদাবাজির অংশ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সারা দেশে ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা কতজন জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট বান্দরবান থেকে কেএনএফের ৩১ জনকে পাঠানো হলো চট্টগ্রাম কারাগারে

সহকর্মীকে হত্যাকারী কনস্টেবল মানসিক ভারসাম্যহীন দাবি পরিবারের

Reporter Name / ৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনে অবস্থিত ফিলিস্তিন দূতাবাসের গার্ড রুমের সামনে মনিরুল ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেন কাওসার আলী নামে অপর এক পুলিশ সদস্য। কাওসার আলী মানসিক ভারসাম্যহীন বলে দাবি করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। কাওসারের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা সদর ইউনিয়নের দৌলতখালী দাড়ের পাড়া গ্রামে। কাওসার স্থানীয় বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়াত আলীর মাস্টারের ছোট ছেলে। শনিবার রাতে কনস্টেবল কাওসার আলীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা জানান, কাওসার ২০০৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পুলিশে যোগদান করেন। চাকরি জীবনের পাঁচ বছর কাটিয়ে ২০১০ সালের দিকে তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত হন। পরে তাকে সরকারিভাবে কয়েক বার পাবনা মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। চাকরিরত অবস্থায় বেশ কয়েক বার অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসা করানো হয়। তবে পারিবারিকভাবে কোনো সমস্যা ছিল না বলেও জানান পরিবারের সদস্যরা। পুলিশ সদস্য কাওসার মাদকাসক্ত ছিলেন কি না সে বিষয়ে পরিবার ও এলাকাবাসী বলেন, কাওসার মানসিক রোগে আক্রান্ত, তবে মাদকাসক্ত নন। তিনি মাঝে মাঝেই মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়তেন। কাওসারের স্ত্রী নিলুফার ইয়াসমিন সাথীর দাবি, ঘটনার চার-পাঁচ দিন আগে থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কম কথা বলেছেন কাওসার। তিনি মাঝে মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে কয়েক বার পাবনা মানসিক হাসপাতালে নিয়েও চিকিৎসা করানো হয়েছে। চিকিৎসার কাগজপত্র আমার স্বামীর কাছে আছে। পারিবারিকভাবে কোনো সমস্যা ছিল না। তবে তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত হলে পরিবারের সঙ্গে কম যোগাযোগ করেন এবং কথাও কম বলেন। কাওসারের মা মাবিয়া খাতুন বলেন, আমার ছেলে এমনিতে খুব ভালো। তার মাথার সমস্যা আছে। সে চাকরিতে যোগদানের পর অসুস্থ হয়। তার সঙ্গে আমার শনিবার রাত ৮টায় কথা হয়। আমার সঙ্গে ভালোভাবেই সে কথা বলেছে। মা কেমন আছো, আব্বা কেমন আছে, জিজ্ঞেস করেছে আমাকে। তবে কয়েকদিন ধরে বাড়িতে একটু কম কথা বলত আমার ছেলে কাওসার। দৌলতপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বলেন, কাওসার চাকরিতে যোগদানের পাঁচ বছর পর থেকে মানসিক রোগে আক্রান্ত। কয়েক বার চিকিৎসা করানোর পর সুস্থ হয়ে আবার চাকরিতে যোগ দিয়েছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category