• রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
যশোরে তীব্র তাপপ্রবাহে গলে যাচ্ছে সড়কের বিটুমিন জাল সার্টিফিকেট চক্র: জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যানকে গরিবদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা কমছে বাড়ছে গরমজনিত অসুস্থতা, হাসপাতালে রোগীদের চাপ ড্রিমলাইনারের কারিগরি বিষয়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে কথা বলতে মন্ত্রীর নির্দেশ গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার জন্য গ্রামে গ্রামে ঘুরছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৩য় ধাপের উপজেলা ভোটেও আপিল কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসক আগামী বাজেটে তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর দাবি জাতিসংঘে পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরল বাংলাদেশ দুর্নীতির অভিযোগের বিরুদ্ধে সাবেক আইজিপি বেনজীরের পাল্টা চ্যালেঞ্জ

সাভারে কিশোর হত্যার চারমাস পর ৩ আসামি গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৫০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকার সাভারে আল-আমীন (১৫) নামে এক কিশোরকে হত্যার প্রায় ৪ মাস পর সিসিটিভির ফুটেজ দেখে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজন স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বাকি দুই জনের ২ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ শুক্রবার বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার এসআই সাদরুজ্জামান। এর আগে, গত ১৬ নভেম্বর তাদের গ্রেপ্তার করে গত বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হলে তাদের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাবেয়া বেগমের আদালতে তোলা হয়। গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- সাভারের কালিয়াকৈর থানার বিরুলিয়া গ্রামের আমির উল্লাহর ছেলে নুর হোসেন (২১), অপর দুই আসামি সাভার রাজাশন আমতলা এলাকার মৃত জাকির হোসেনের ছেলে মিলন (২০) ও তার ভাই ইসমাইল হোসেন (২২)। নিহত আল-আমিন ফরিদপুর জেলার আজমল হোসেনের ছেলে। বেডিংয়ের দোকানে চাকরি করা অবস্থায় আল-আমীন ও নুর হোসেনের সঙ্গে ঝগড়া হওয়ায় দুই জনেরই চাকরি চলে যায়। পরে আল-আমীন একটি মোবাইলের দোকানে কাজ নিয়েছিল। পুলিশ জানায়, আল-আমীন ও নুর হোসেন সাভারের সিটি সেন্টারের নিচ তলায় চায়না বেডিং নামের একটি দোকানে কাজ করতেন। সেখানে তাদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হয়। পরে সাভার বাজার রোডে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৭ জুলাই রাত ১১ টার দিকে নুর হোসেন ও তার দুই সহযোগী মিলন (২১) ও ইসমাইল (১৯) মিলে আল-আমীনকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে পায়। এতে মারা যায় আল-আমীন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার চার মাস পর অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সাভার মডেল থানার এসআই সাদরুজ্জামান বলেন, চার মাস আগে এই ঘটনা ঘটে। তবে কোন ধরনের ক্লু পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। তাাতে দেখা যায় এক কিশোর দৌড় দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। সেই ফুটেজের সূত্র ধরে তাদের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে প্রধান আসামি নুর হোসেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট রাবেয়া বেগমের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেয়। বাকি দুই জনের ২ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category