ঢাকা, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ই-পেপার

অনিশ্চয়তা কাটিয়ে দুটি শপথই নিলেন জামায়াতের এমপিরা

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ১২:২০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২১ বার পড়া হয়েছে

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে জটিলতার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত সংসদ সদস্য ও সংস্কার পরিষদের সদস্য, দুই ক্ষেত্রেই শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত এমপিরা। মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা ২৩ মিনিটে তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। এরপর দুপুর ১২টা ২৭ মিনিটে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ গ্রহণ করেন।

জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের শীর্ষ নেতারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালেই শপথ ইস্যুতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের জানিয়েছিলেন, বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিলে জামায়াতের কেউ এমপি হিসেবেও শপথ নেবেন না। তাঁর ভাষায়, “সংস্কারবিহীন সংসদ অর্থহীন।”

কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন, বিএনপির অবস্থানের পর দলীয়ভাবে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে। সে অনুযায়ী দুপুর ১২টায় শপথ অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারিত থাকলেও তার আগে সংসদ ভবনে জোটের নবনির্বাচিত সদস্যরা জরুরি বৈঠকে বসেন। ওই বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়, তারা শপথ নেবেন।

উল্লেখ্য, একই দিন সকাল পৌনে ১১টার দিকে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। বিষয়টি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরই সেই শপথের প্রশ্ন আসবে বলে জানিয়েছে দলটি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮টি আসন পেয়েছে। সংসদে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকছে দলটি। সংসদীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অনিশ্চয়তা কাটিয়ে দুটি শপথই নিলেন জামায়াতের এমপিরা

আপডেট সময়ঃ ১২:২০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে জটিলতার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত সংসদ সদস্য ও সংস্কার পরিষদের সদস্য, দুই ক্ষেত্রেই শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত এমপিরা। মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা ২৩ মিনিটে তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। এরপর দুপুর ১২টা ২৭ মিনিটে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ গ্রহণ করেন।

জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের শীর্ষ নেতারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালেই শপথ ইস্যুতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের জানিয়েছিলেন, বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিলে জামায়াতের কেউ এমপি হিসেবেও শপথ নেবেন না। তাঁর ভাষায়, “সংস্কারবিহীন সংসদ অর্থহীন।”

কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন, বিএনপির অবস্থানের পর দলীয়ভাবে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে। সে অনুযায়ী দুপুর ১২টায় শপথ অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারিত থাকলেও তার আগে সংসদ ভবনে জোটের নবনির্বাচিত সদস্যরা জরুরি বৈঠকে বসেন। ওই বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়, তারা শপথ নেবেন।

উল্লেখ্য, একই দিন সকাল পৌনে ১১টার দিকে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। বিষয়টি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরই সেই শপথের প্রশ্ন আসবে বলে জানিয়েছে দলটি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮টি আসন পেয়েছে। সংসদে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকছে দলটি। সংসদীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে পারে।