০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ | ই-পেপার

আদর্শ হিসেবে গণতন্ত্রের বিকল্প নেই: ন্যাপ

  • দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:৫০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৫৩৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
অনেক দেশে গণতন্ত্রের নামে যা চর্চা হচ্ছে, দৃশ্যত গণতান্ত্রিক মনে হলেও বাস্তবতার দিক থেকে তা আদৌ গণতান্ত্রিক কি-না, সে প্রশ্নই এখন প্রধান হয়ে দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন দেশে কর্তৃত্ববাদী নেতাদের শাসন সুস্পষ্ট, এমনকি স্বৈরাচারী শাসকেরাও নিজেদের গণতন্ত্রের রক্ষাকর্তা হিসেবেই দাবি করেন। তবে, এখনো মানুষের মধ্যে গণতন্ত্রের আকাক্সক্ষা বহাল আছে। আদর্শ হিসেবে গণতন্ত্রের বিকল্প নেই। গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন। তারা বলেন, গত দেড় দশকে গণতন্ত্রের বড় ধরনের অবনতি লক্ষ করা গেছে। কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কর্তৃত্ববাদী দেশগুলোতেও অবস্থার অবনতি হচ্ছে। যাকে কেউ বলছেন গণতন্ত্রের পতন, কেউ বলছেন বিপরীত ¯্রােত। ভি-ডেমের গবেষকেরা এ প্রক্রিয়াকে বলছেন স্বৈরাচারীকরণ এবং আমরা স্বৈরাচারীকরণের তৃতীয় ঢেউ প্রত্যক্ষ করছি। বিশ্বের বহু দেশের মতো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও সঙ্কটের মুখে রয়েছে। জনগণের ভোটের অধিকার এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গেলো সংসদ নির্বাচন সঙ্কটকে আরেক দফা বাড়িয়ে দিয়েছে। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেনি, প্রতিষ্ঠিত হয়নি অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি। ফলে বর্তমানে জনগণ ভোটকেন্দ্রে যেতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। সরকারি দলের ব্যাপক প্রভাবে বিরোধীদলগুলো একরকম কোণঠাসা। তারা আরও বলেন, গণতন্ত্র আদতে ক্ষমতার রাজনীতি নয়, অধিকারের রাজনীতি। অর্থনীতি ও সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের অর্জন অবশ্যই আমাদের গর্বিত করে। কিন্তু গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকলে উন্নয়ন টেকসই হয় না। আমরা চাই গণতান্ত্রিক পরিবেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নতুন দুই বিচারপতির সাক্ষাৎ

আদর্শ হিসেবে গণতন্ত্রের বিকল্প নেই: ন্যাপ

আপডেট সময়ঃ ০৬:৫০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
অনেক দেশে গণতন্ত্রের নামে যা চর্চা হচ্ছে, দৃশ্যত গণতান্ত্রিক মনে হলেও বাস্তবতার দিক থেকে তা আদৌ গণতান্ত্রিক কি-না, সে প্রশ্নই এখন প্রধান হয়ে দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন দেশে কর্তৃত্ববাদী নেতাদের শাসন সুস্পষ্ট, এমনকি স্বৈরাচারী শাসকেরাও নিজেদের গণতন্ত্রের রক্ষাকর্তা হিসেবেই দাবি করেন। তবে, এখনো মানুষের মধ্যে গণতন্ত্রের আকাক্সক্ষা বহাল আছে। আদর্শ হিসেবে গণতন্ত্রের বিকল্প নেই। গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন। তারা বলেন, গত দেড় দশকে গণতন্ত্রের বড় ধরনের অবনতি লক্ষ করা গেছে। কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কর্তৃত্ববাদী দেশগুলোতেও অবস্থার অবনতি হচ্ছে। যাকে কেউ বলছেন গণতন্ত্রের পতন, কেউ বলছেন বিপরীত ¯্রােত। ভি-ডেমের গবেষকেরা এ প্রক্রিয়াকে বলছেন স্বৈরাচারীকরণ এবং আমরা স্বৈরাচারীকরণের তৃতীয় ঢেউ প্রত্যক্ষ করছি। বিশ্বের বহু দেশের মতো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও সঙ্কটের মুখে রয়েছে। জনগণের ভোটের অধিকার এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গেলো সংসদ নির্বাচন সঙ্কটকে আরেক দফা বাড়িয়ে দিয়েছে। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেনি, প্রতিষ্ঠিত হয়নি অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি। ফলে বর্তমানে জনগণ ভোটকেন্দ্রে যেতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। সরকারি দলের ব্যাপক প্রভাবে বিরোধীদলগুলো একরকম কোণঠাসা। তারা আরও বলেন, গণতন্ত্র আদতে ক্ষমতার রাজনীতি নয়, অধিকারের রাজনীতি। অর্থনীতি ও সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের অর্জন অবশ্যই আমাদের গর্বিত করে। কিন্তু গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকলে উন্নয়ন টেকসই হয় না। আমরা চাই গণতান্ত্রিক পরিবেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন।