১২:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫ | ই-পেপার

ইব্রাহিম হত্যা: ২ বছর পর দ্বিতীয় স্ত্রী-ছেলে গ্রেফতার

  • দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ১০:১০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৫১০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বগুড়ার কাহালুতে চাঞ্চল্যকর ইব্রাহিম আলী (৭৫) হত্যার ঘটনায় দীর্ঘ দুই বছর পর সিআইডি পুলিশ দ্বিতীয় স্ত্রী ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে। গত মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বাখরা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। নিহতের প্রথম পক্ষের ছেলে সারোয়ার হোসেন আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে সিআইডি পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব নেয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করেনি। তাদের দেওয়া কিছু তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কর্মকর্তারা ধারণা করছেনÑ জমি নিয়ে বিরোধে দ্বিতীয় স্ত্রী ও ছেলে তাকে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ানোর পর পিটিয়ে হত্যা করেন। গ্রেফতার দুজন হলেনÑ বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাখরা গ্রামের নিহত ইব্রাহিম আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী মোর্শেদা খাতুন (৪৯) ও তাদের ছেলে শওকত আলী (৩০)। নিহত ইব্রাহিম আলী কাহালু উপজেলার বাখরা গ্রামের মৃত আলিম উদ্দিনের ছেলে। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে গত ২০১৯ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে ইব্রাহিমকে হত্যা করা হয়। গতকাল বুধবার দুপুরে সিআইডি বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার হাসান শামীম ইকবাল এ তথ্য দিয়েছেন। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, দ্বিতীয় স্ত্রী মোর্শেদা ও তার ছেলে শওকত আলীসহ অন্য আসামিরা পরিকল্পনা অনুসারে তাকে প্রথমে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ান। পরে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে বৃদ্ধ ইব্রাহিম আলীকে হত্যা করেন। এ ঘটনায় প্রথম স্ত্রীর ছেলে সারোয়ার হোসেন আদালতে মা ও ছেলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে কাহালু থানার ওসি গত ২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর মামলাটি (ধারা ৩০২/৩৪) রেকর্ড করেন। এ ছাড়া তদন্তভার সিআইডি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সিআইডি বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার হাসান শামীম ইকবাল জানান, গ্রেফতার মা ও ছেলে এজাহার নামীয় আসামি। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গত মঙ্গলবার দুপুরে তাদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তারা হত্যার দায় স্বীকার না করলেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দিয়েছেন। এতে নিশ্চিত হওয়া যায়, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে তারাই অন্যান্যের সহযোগিতায় বৃদ্ধ ইব্রাহিম আলীকে চেতনানাশক খাইয়ে অচেতন করার পর লাঠি ও রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন। পরে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগাড়সহ কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না: পরিবেশ উপদেষ্টা

ইব্রাহিম হত্যা: ২ বছর পর দ্বিতীয় স্ত্রী-ছেলে গ্রেফতার

আপডেট সময়ঃ ১০:১০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বগুড়ার কাহালুতে চাঞ্চল্যকর ইব্রাহিম আলী (৭৫) হত্যার ঘটনায় দীর্ঘ দুই বছর পর সিআইডি পুলিশ দ্বিতীয় স্ত্রী ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে। গত মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বাখরা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। নিহতের প্রথম পক্ষের ছেলে সারোয়ার হোসেন আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে সিআইডি পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব নেয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করেনি। তাদের দেওয়া কিছু তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কর্মকর্তারা ধারণা করছেনÑ জমি নিয়ে বিরোধে দ্বিতীয় স্ত্রী ও ছেলে তাকে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ানোর পর পিটিয়ে হত্যা করেন। গ্রেফতার দুজন হলেনÑ বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাখরা গ্রামের নিহত ইব্রাহিম আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী মোর্শেদা খাতুন (৪৯) ও তাদের ছেলে শওকত আলী (৩০)। নিহত ইব্রাহিম আলী কাহালু উপজেলার বাখরা গ্রামের মৃত আলিম উদ্দিনের ছেলে। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে গত ২০১৯ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে ইব্রাহিমকে হত্যা করা হয়। গতকাল বুধবার দুপুরে সিআইডি বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার হাসান শামীম ইকবাল এ তথ্য দিয়েছেন। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, দ্বিতীয় স্ত্রী মোর্শেদা ও তার ছেলে শওকত আলীসহ অন্য আসামিরা পরিকল্পনা অনুসারে তাকে প্রথমে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ান। পরে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে বৃদ্ধ ইব্রাহিম আলীকে হত্যা করেন। এ ঘটনায় প্রথম স্ত্রীর ছেলে সারোয়ার হোসেন আদালতে মা ও ছেলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে কাহালু থানার ওসি গত ২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর মামলাটি (ধারা ৩০২/৩৪) রেকর্ড করেন। এ ছাড়া তদন্তভার সিআইডি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সিআইডি বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার হাসান শামীম ইকবাল জানান, গ্রেফতার মা ও ছেলে এজাহার নামীয় আসামি। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গত মঙ্গলবার দুপুরে তাদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তারা হত্যার দায় স্বীকার না করলেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দিয়েছেন। এতে নিশ্চিত হওয়া যায়, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে তারাই অন্যান্যের সহযোগিতায় বৃদ্ধ ইব্রাহিম আলীকে চেতনানাশক খাইয়ে অচেতন করার পর লাঠি ও রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন। পরে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।