ঢাকা, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬ | ই-পেপার

এক লাখ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ দেবে সরকার, ৮০ হাজারই নারী

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • / ৪৭ বার পড়া হয়েছে

সরকার ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে সিরডাপ মিলনায়তনে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সর্বজনীন স্বাস্থ্যের পথে’ শীর্ষক ডায়ালগ অনুষ্ঠানে এই কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ই-হেলথ কার্ড নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। বাস্তবায়নে কাঠামো গঠনের কাজ চলছে। প্রাইমারি হেলথকেয়ার সিস্টেমকে আরও সার্বজনীন করতে ১ লাখ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। যার মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্য কর্মী থাকবেন।

স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ নিয়ে ভাবতে হবে এবং কাজও করতে হবে। এ পর্যন্ত যা কিছু হয়নি তা দুর্নীতির মধ্যে হারিয়ে গেছে। সঠিক তদারকি না করলে সব পরিকল্পনাই মেগা দুর্নীতির খাত হয়ে যেতে পারে। তাই পাইপলাইনিং করতে হবে, যাতে স্বচ্ছতার মাধ্যমে সব কাজ সঠিকভাবে পরিচালিত করা সম্ভব হয়।

এম এ মুহিত আরও বলেন, হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্যে রোগীরা পড়েন ভোগান্তিতে। আর সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকরা হাসপাতালে নিয়মিত থাকেন না। এসব নিয়েও সরকার কাজ করছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

এক লাখ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ দেবে সরকার, ৮০ হাজারই নারী

আপডেট সময়ঃ ০৪:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

সরকার ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে সিরডাপ মিলনায়তনে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সর্বজনীন স্বাস্থ্যের পথে’ শীর্ষক ডায়ালগ অনুষ্ঠানে এই কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ই-হেলথ কার্ড নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। বাস্তবায়নে কাঠামো গঠনের কাজ চলছে। প্রাইমারি হেলথকেয়ার সিস্টেমকে আরও সার্বজনীন করতে ১ লাখ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। যার মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্য কর্মী থাকবেন।

স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ নিয়ে ভাবতে হবে এবং কাজও করতে হবে। এ পর্যন্ত যা কিছু হয়নি তা দুর্নীতির মধ্যে হারিয়ে গেছে। সঠিক তদারকি না করলে সব পরিকল্পনাই মেগা দুর্নীতির খাত হয়ে যেতে পারে। তাই পাইপলাইনিং করতে হবে, যাতে স্বচ্ছতার মাধ্যমে সব কাজ সঠিকভাবে পরিচালিত করা সম্ভব হয়।

এম এ মুহিত আরও বলেন, হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্যে রোগীরা পড়েন ভোগান্তিতে। আর সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকরা হাসপাতালে নিয়মিত থাকেন না। এসব নিয়েও সরকার কাজ করছে।