ঢাকা, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫ | ই-পেপার

রাশিয়ার ‘ছায়া নৌবহরে’ ইউক্রেনের হামলা, ছিলেন ৪ বাংলাদেশি নাবিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৮ বার পড়া হয়েছে

কৃষ্ণসাগর অতিক্রমের সময় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত রাশিয়ার তেলবাহী ট্যাংকারে থাকা চারজন বাংলাদেশি নাবিককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) তুরস্কের উপকূলে ‘এমটি কায়রোস’ নামের ট্যাংকারটিতে এই হামলার পর কোস্ট গার্ডের সদস্যরা জাহাজ থেকে ২৫ জন নাবিককে উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া নাবিকদের মধ্যে চীনের ১৯ জন এবং মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার একজন করে নাবিকও ছিলেন।

উদ্ধার হওয়া চার বাংলাদেশি নাবিক হলেন- চতুর্থ প্রকৌশলী মাহফুজুল ইসলাম, অয়েলার হাবিবুর রহমান, পাম্প ম্যান আসগর হোসাইন ও ডেক ক্যাডেট আল আমিন হোসেন। তবে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও, সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কারণে হামলার ‘ঘোর’ কাটছেই না তাদের। উদ্ধার হওয়া এক বাংলাদেশি নাবিক জানিয়েছেন, তুরস্কে বাংলাদেশ দূতাবাসের কারও সঙ্গে তাদের এখনও যোগাযোগ হয়নি।

এবিষয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন একটি গণমাধ্যমকে জানান, কৃষ্ণসাগরে একটি জাহাজে মিসাইল হামলা হয়। ওই জাহাজের ২৫ নাবিকের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি। তাদের উদ্ধার করা হয়েছে এবং চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছে। আমরা তাদের নিয়মিত খোঁজ রাখছি।

হামলার শিকার গাম্বিয়ার পতাকাবাহী ‘এমটি কায়রোস’ ট্যাংকারটি রাশিয়ার ক্রুড অয়েল বিভিন্ন দেশে পৌঁছানোর কাজ করত। বাংলাদেশি নাবিকেরা জেনেছেন, রাশিয়ার তেলনির্ভর যুদ্ধ-অর্থায়নকে দুর্বল করার লক্ষ্যেই ইউক্রেন এই হামলা চালিয়েছে। রাশিয়া থেকে ক্রুড অয়েল বোঝাইয়ের পর জাহাজটির পরবর্তী গন্তব্য ছিল চীন অথবা ভারত।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশিয়ার ‘ছায়া নৌবহরে’ ইউক্রেনের হামলা, ছিলেন ৪ বাংলাদেশি নাবিক

আপডেট সময়ঃ ০৪:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

কৃষ্ণসাগর অতিক্রমের সময় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত রাশিয়ার তেলবাহী ট্যাংকারে থাকা চারজন বাংলাদেশি নাবিককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) তুরস্কের উপকূলে ‘এমটি কায়রোস’ নামের ট্যাংকারটিতে এই হামলার পর কোস্ট গার্ডের সদস্যরা জাহাজ থেকে ২৫ জন নাবিককে উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া নাবিকদের মধ্যে চীনের ১৯ জন এবং মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার একজন করে নাবিকও ছিলেন।

উদ্ধার হওয়া চার বাংলাদেশি নাবিক হলেন- চতুর্থ প্রকৌশলী মাহফুজুল ইসলাম, অয়েলার হাবিবুর রহমান, পাম্প ম্যান আসগর হোসাইন ও ডেক ক্যাডেট আল আমিন হোসেন। তবে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও, সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কারণে হামলার ‘ঘোর’ কাটছেই না তাদের। উদ্ধার হওয়া এক বাংলাদেশি নাবিক জানিয়েছেন, তুরস্কে বাংলাদেশ দূতাবাসের কারও সঙ্গে তাদের এখনও যোগাযোগ হয়নি।

এবিষয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন একটি গণমাধ্যমকে জানান, কৃষ্ণসাগরে একটি জাহাজে মিসাইল হামলা হয়। ওই জাহাজের ২৫ নাবিকের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি। তাদের উদ্ধার করা হয়েছে এবং চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছে। আমরা তাদের নিয়মিত খোঁজ রাখছি।

হামলার শিকার গাম্বিয়ার পতাকাবাহী ‘এমটি কায়রোস’ ট্যাংকারটি রাশিয়ার ক্রুড অয়েল বিভিন্ন দেশে পৌঁছানোর কাজ করত। বাংলাদেশি নাবিকেরা জেনেছেন, রাশিয়ার তেলনির্ভর যুদ্ধ-অর্থায়নকে দুর্বল করার লক্ষ্যেই ইউক্রেন এই হামলা চালিয়েছে। রাশিয়া থেকে ক্রুড অয়েল বোঝাইয়ের পর জাহাজটির পরবর্তী গন্তব্য ছিল চীন অথবা ভারত।