ঢাকা, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ | ই-পেপার

গবেষণা থেকে মাঠে: গম ও ভুট্টা প্রযুক্তি সম্প্রসারণে বিডব্লিউএমআরআই

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / ১৬ বার পড়া হয়েছে

খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনে উচ্চ ফলনশীল গম ও ভুট্টার জাত এবং টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট থেকে আলাদা হয়ে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ভুট্টা গবেষণা ইনষ্টিটিউট (বিডাব্লিউএমআরআই) প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনষ্টিটিউট জলবায় পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি হতে এ পর্যন্ত ৩৮টি গমের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে । আধুনিক উচ্চফলনশীল রোগ প্রতিরোধী জাত ও উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে দেশে গমের গড় ফলন অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে যা ৩.৮৪ টন/হেক্টর-এ উন্নীত হয়েছে। ইনষ্টিটিউটের ভুট্টা বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যে পরিবর্তিত জলবায় সহনশীল ভুট্টার বেশ কিছু জাত উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছে। প্রতিষ্ঠান কর্তৃক এ পর্যন্ত ২০টি হাইব্রিড ভুট্টা, ৯টি ওপেন পলিনেটেড ভুট্টা, একটি খই ভুট্টা ও একটি হাইব্রিড বেবিকর্ন এর জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনষ্টিটিউট, নশিপুর, দিনাজপুরের আওতায় ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্রের মধ্যে আঞ্চলিক কেন্দ্র, শ্যামপুর, রাজশাহী অন্যতম। এখানে গম ও ভুট্টার সংকরায়ন ও মূল্যায়নের মাধ্যমে সাধারণ পরিবেশসহ তাপ ও খরা সহনশীল জাত উদ্ভাবনের কাজ করা হয় এবং উদ্ভাবিত জাতসমূহের মানঘোষিত বীজ উৎপাদন করে তা সরকারি ও বেসরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসহ অগ্রগামী কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর সহযোগিতায় কৃষক পর্যায়ে গম ও ভুট্টা সম্প্রসারণের কাজও কেন্দ্রটি থেকে পরিচালিত হয়। প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য স্টেকহোল্ডার প্রশিক্ষণ, উপযোগিতা পরীক্ষণ, মাঠ দিবস ইত্যাদির আয়োজনসহ বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা প্রকাশের মাধ্যমে গম ও ভুট্টার সম্প্রসারণেও প্রতিষ্ঠানট

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গবেষণা থেকে মাঠে: গম ও ভুট্টা প্রযুক্তি সম্প্রসারণে বিডব্লিউএমআরআই

আপডেট সময়ঃ ০৭:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনে উচ্চ ফলনশীল গম ও ভুট্টার জাত এবং টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট থেকে আলাদা হয়ে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ভুট্টা গবেষণা ইনষ্টিটিউট (বিডাব্লিউএমআরআই) প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনষ্টিটিউট জলবায় পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি হতে এ পর্যন্ত ৩৮টি গমের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে । আধুনিক উচ্চফলনশীল রোগ প্রতিরোধী জাত ও উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে দেশে গমের গড় ফলন অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে যা ৩.৮৪ টন/হেক্টর-এ উন্নীত হয়েছে। ইনষ্টিটিউটের ভুট্টা বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যে পরিবর্তিত জলবায় সহনশীল ভুট্টার বেশ কিছু জাত উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছে। প্রতিষ্ঠান কর্তৃক এ পর্যন্ত ২০টি হাইব্রিড ভুট্টা, ৯টি ওপেন পলিনেটেড ভুট্টা, একটি খই ভুট্টা ও একটি হাইব্রিড বেবিকর্ন এর জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনষ্টিটিউট, নশিপুর, দিনাজপুরের আওতায় ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্রের মধ্যে আঞ্চলিক কেন্দ্র, শ্যামপুর, রাজশাহী অন্যতম। এখানে গম ও ভুট্টার সংকরায়ন ও মূল্যায়নের মাধ্যমে সাধারণ পরিবেশসহ তাপ ও খরা সহনশীল জাত উদ্ভাবনের কাজ করা হয় এবং উদ্ভাবিত জাতসমূহের মানঘোষিত বীজ উৎপাদন করে তা সরকারি ও বেসরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসহ অগ্রগামী কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর সহযোগিতায় কৃষক পর্যায়ে গম ও ভুট্টা সম্প্রসারণের কাজও কেন্দ্রটি থেকে পরিচালিত হয়। প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য স্টেকহোল্ডার প্রশিক্ষণ, উপযোগিতা পরীক্ষণ, মাঠ দিবস ইত্যাদির আয়োজনসহ বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা প্রকাশের মাধ্যমে গম ও ভুট্টার সম্প্রসারণেও প্রতিষ্ঠানট