০১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ | ই-পেপার

গাজীপুরে মা মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

  • দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে

হাজী মুছা :
গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন বোর্ড বাজার এলাকায় মা ও মেয়েকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ১৯ -৯-২০২১ রাতে গাছা থানাধীন বোর্ড বাজার কামারের গলি, বিসমিল্লাহ চটপটি হাউজ থেকে, মোঃ আজিজ (২৫) ও মিজান (২৬) কে আটক করে গাছা থানা পুলিশ। ভুক্তভোগী ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলার, ফুলবাড়িয়া থানার, কুশমাইল কড়ইতলা এলাকার মোঃ রকিব রহমানের ছেলে মোঃ হামিদুল ইসলাম (৪১) স্ত্রী সন্তান নিয়ে গাজীপুর মহানগর গাছা থানাধীন বোর্ড বাজার এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে ব্যবসা বানিজ্য করে আসছিলেন দীর্ঘ দিন যাবৎ, গত ৩/৪ মাস যাবৎ হামিদুলের স্ত্রী ফাহমিদা (২৬) এর চলাফেরা সন্দেহ জনক মনে হয় হামিদুল এর কাছে, এমতাবস্থায় গত ২৮/৮/২০২১ ইং তারিখ বিকেলে হামিদুলের স্ত্রী ফাহমিদা ও বড় মেয়ে হামিদা আক্তার (১৪) বাসা থেকে কাউকে কিছু না বলে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়, হামিদুল রাতে বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়েকে বাসায় না পেয়ে বিভিন্ন যায়গায় খোঁজা খুঁজি করতে থাকে।
এমতাবস্থায় গত ৫/৮/২০২১ ইং তারিখ হামিদুলের স্ত্রী ও মেয়ের সন্ধান পাওয়া যায়, তার শশুর বাড়িতে, তাদের জিজ্ঞাসা বাদে তারা জানায়, ফাহমিদা তার মেয়েকে নিয়ে তার বান্ধবীর বাসায় বেরাতে গিয়ে ছিলো, এবং স্বামীর কাছে মাফ চেয়ে পূনরায় স্বামীর বাসায় আসে, এবং সুখী শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করতে থাকে।
এমতাবস্থায় পূনরায় গত ৯-৯-২০২১ ইং তারিখে ফাহমিদা হক আবারো কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে পালিয়ে যায়, আবারো হামিদুল বিভিন্ন যায়গায় খোঁজা খুঁজি করতে থাকে এবং বড় মেয়ে হামিদা কে জিজ্ঞাসা বাদে, মুখ খুলতে থাকেন হামিদা।
হামিদা জানায়, আমার মা দীর্ঘদিন যাবৎ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন ছেলের সাথে কথা বলে আসছিলো, এবং বোর্ড বাজার বিসমিল্লাহ চটপটি হাউজে আমাকে নিয়ে মাঝে মাঝে চটপটি খেতে যেতো, সেখানে আজিজ এর সাথে সম্পর্ক ছিলো মায়ের, এতে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতো চটপটি দোকানের মালিক মিজান, এমতাবস্থায় মিজান, আজিজ ও আমার মা তাদের অপকর্ম ঢাকতে আমার সাথে সম্পর্ক গড়েদেন রাসেল নামে একটি ছেলের সাথে, তারা আমাকে ও মাকে নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন যায়গায় ঘুরতে যেতো, রাসেল আমাকে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেয়।
এ সম্পর্কের যেরে গত ২৮/৮/২০২১ ইং তারিখ বিকেলে আমি ও আমার মা বাসা থেকে পালিয়ে যাই, আজিজ, মিজান ও রাসেল এর কাছে, তারা প্রথম দিন, আমাদের কে বোর্ড বাজার কামারের গলিতে একটি মেসে আমাদের কে রাখে, পরদিন সকালে আমাদের নিয়ে যায় গাছা থানাধীন ছয়দানা হাবিব এর বাড়ির ৫ম তলায়, সেখানে আমার মা ও আজিজ স্বামী স্ত্রী পরিচয় দেন, এবং আমাকে বাগ্নী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করি, বাসায় আজিজ ও মিজান আমার মায়ের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করেন, এবং রাসেল আমার সাথে অবৈধ সম্পর্ক করেন। সেখানে আমাদের কে ৫ দিন রেখে, আমাদের নানা বাড়ি পাঠিয়ে দেয় তারা, তখন আমরা লজ্জায় সবার কাছে মিথ্যা বলেছি, , বাবা আমাদের মেনে নিয়েছেন, কিন্তু গত ৯-৯-২০২১ ইং তারিখ আমার মা আবারো, কাউকে কিছু না বলে, বাসা থেকে চলে গেছে, কোথায় গেছে জানিনা।
হামিদুল, মেয়ের কাছে সব যেনে গাছা থানায় অভিযোগ করলে, অভিযোগ এর ভিত্তিতে গত ১৯-৮-২০২১ ইং তারিখ রাতে বোর্ড বাজার কামারের গলি, বিসমিল্লাহ চটপটি হাউজ থেকে আজিজ ও মিজান কে আটক করে, রাসেল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মোঃ ইসমাইল হোসেন জানান, আমরা অভিযোগ এর ভিত্তিতে তাদের আটক করতে পেরেছি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদে আজিজ ও মিজান ঘটনা শিকার করেছে, হামিদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেছেন, পরবর্তী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
গাছা থানার মামলা নং ২২-২০-৯-২০২১
এ ঘটনায় এলাকা বাসি ও সুশীল সমাজের জোর দাবী প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক বিচার হোক।

ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নতুন দুই বিচারপতির সাক্ষাৎ

গাজীপুরে মা মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

আপডেট সময়ঃ ০৮:০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

হাজী মুছা :
গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন বোর্ড বাজার এলাকায় মা ও মেয়েকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ১৯ -৯-২০২১ রাতে গাছা থানাধীন বোর্ড বাজার কামারের গলি, বিসমিল্লাহ চটপটি হাউজ থেকে, মোঃ আজিজ (২৫) ও মিজান (২৬) কে আটক করে গাছা থানা পুলিশ। ভুক্তভোগী ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলার, ফুলবাড়িয়া থানার, কুশমাইল কড়ইতলা এলাকার মোঃ রকিব রহমানের ছেলে মোঃ হামিদুল ইসলাম (৪১) স্ত্রী সন্তান নিয়ে গাজীপুর মহানগর গাছা থানাধীন বোর্ড বাজার এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে ব্যবসা বানিজ্য করে আসছিলেন দীর্ঘ দিন যাবৎ, গত ৩/৪ মাস যাবৎ হামিদুলের স্ত্রী ফাহমিদা (২৬) এর চলাফেরা সন্দেহ জনক মনে হয় হামিদুল এর কাছে, এমতাবস্থায় গত ২৮/৮/২০২১ ইং তারিখ বিকেলে হামিদুলের স্ত্রী ফাহমিদা ও বড় মেয়ে হামিদা আক্তার (১৪) বাসা থেকে কাউকে কিছু না বলে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়, হামিদুল রাতে বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়েকে বাসায় না পেয়ে বিভিন্ন যায়গায় খোঁজা খুঁজি করতে থাকে।
এমতাবস্থায় গত ৫/৮/২০২১ ইং তারিখ হামিদুলের স্ত্রী ও মেয়ের সন্ধান পাওয়া যায়, তার শশুর বাড়িতে, তাদের জিজ্ঞাসা বাদে তারা জানায়, ফাহমিদা তার মেয়েকে নিয়ে তার বান্ধবীর বাসায় বেরাতে গিয়ে ছিলো, এবং স্বামীর কাছে মাফ চেয়ে পূনরায় স্বামীর বাসায় আসে, এবং সুখী শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করতে থাকে।
এমতাবস্থায় পূনরায় গত ৯-৯-২০২১ ইং তারিখে ফাহমিদা হক আবারো কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে পালিয়ে যায়, আবারো হামিদুল বিভিন্ন যায়গায় খোঁজা খুঁজি করতে থাকে এবং বড় মেয়ে হামিদা কে জিজ্ঞাসা বাদে, মুখ খুলতে থাকেন হামিদা।
হামিদা জানায়, আমার মা দীর্ঘদিন যাবৎ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন ছেলের সাথে কথা বলে আসছিলো, এবং বোর্ড বাজার বিসমিল্লাহ চটপটি হাউজে আমাকে নিয়ে মাঝে মাঝে চটপটি খেতে যেতো, সেখানে আজিজ এর সাথে সম্পর্ক ছিলো মায়ের, এতে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতো চটপটি দোকানের মালিক মিজান, এমতাবস্থায় মিজান, আজিজ ও আমার মা তাদের অপকর্ম ঢাকতে আমার সাথে সম্পর্ক গড়েদেন রাসেল নামে একটি ছেলের সাথে, তারা আমাকে ও মাকে নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন যায়গায় ঘুরতে যেতো, রাসেল আমাকে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেয়।
এ সম্পর্কের যেরে গত ২৮/৮/২০২১ ইং তারিখ বিকেলে আমি ও আমার মা বাসা থেকে পালিয়ে যাই, আজিজ, মিজান ও রাসেল এর কাছে, তারা প্রথম দিন, আমাদের কে বোর্ড বাজার কামারের গলিতে একটি মেসে আমাদের কে রাখে, পরদিন সকালে আমাদের নিয়ে যায় গাছা থানাধীন ছয়দানা হাবিব এর বাড়ির ৫ম তলায়, সেখানে আমার মা ও আজিজ স্বামী স্ত্রী পরিচয় দেন, এবং আমাকে বাগ্নী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করি, বাসায় আজিজ ও মিজান আমার মায়ের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করেন, এবং রাসেল আমার সাথে অবৈধ সম্পর্ক করেন। সেখানে আমাদের কে ৫ দিন রেখে, আমাদের নানা বাড়ি পাঠিয়ে দেয় তারা, তখন আমরা লজ্জায় সবার কাছে মিথ্যা বলেছি, , বাবা আমাদের মেনে নিয়েছেন, কিন্তু গত ৯-৯-২০২১ ইং তারিখ আমার মা আবারো, কাউকে কিছু না বলে, বাসা থেকে চলে গেছে, কোথায় গেছে জানিনা।
হামিদুল, মেয়ের কাছে সব যেনে গাছা থানায় অভিযোগ করলে, অভিযোগ এর ভিত্তিতে গত ১৯-৮-২০২১ ইং তারিখ রাতে বোর্ড বাজার কামারের গলি, বিসমিল্লাহ চটপটি হাউজ থেকে আজিজ ও মিজান কে আটক করে, রাসেল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মোঃ ইসমাইল হোসেন জানান, আমরা অভিযোগ এর ভিত্তিতে তাদের আটক করতে পেরেছি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদে আজিজ ও মিজান ঘটনা শিকার করেছে, হামিদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেছেন, পরবর্তী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
গাছা থানার মামলা নং ২২-২০-৯-২০২১
এ ঘটনায় এলাকা বাসি ও সুশীল সমাজের জোর দাবী প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক বিচার হোক।