ঢাকা, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ই-পেপার

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে আইনের খসড়া অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:৩১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২১ বার পড়া হয়েছে

গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। ভবিষ্যতে আলোচনার পর অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, খসড়া অধ্যাদেশে গুমকে চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। গোপন আটককেন্দ্র ব্যবহারকেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অধ্যাদেশে— জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা প্রদান, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ ও আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

প্রেস সচিব বলেন, “বাংলাদেশে যেন আর কোনো দিন গুম না হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কার্যকর আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক ও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত বিবেচনা করেই খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি দেশের মানবাধিকার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।”

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আজকের অনুমোদন কেবল নীতিগত। ভবিষ্যতে আরও আলোচনার মাধ্যমে এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। অধ্যাদেশ কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার যথাযথ সুরক্ষা ও প্রতিকার পাবে।”

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে আইনের খসড়া অনুমোদন

আপডেট সময়ঃ ০৮:৩১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। ভবিষ্যতে আলোচনার পর অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, খসড়া অধ্যাদেশে গুমকে চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। গোপন আটককেন্দ্র ব্যবহারকেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অধ্যাদেশে— জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা প্রদান, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ ও আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

প্রেস সচিব বলেন, “বাংলাদেশে যেন আর কোনো দিন গুম না হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কার্যকর আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক ও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত বিবেচনা করেই খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি দেশের মানবাধিকার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।”

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আজকের অনুমোদন কেবল নীতিগত। ভবিষ্যতে আরও আলোচনার মাধ্যমে এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। অধ্যাদেশ কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার যথাযথ সুরক্ষা ও প্রতিকার পাবে।”

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।