ঢাকা, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬ | ই-পেপার

চট্টগ্রামে শিল্পপতির বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করা অস্ত্রধারীরা শনাক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / ২৬ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামে শিল্পপতি মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়িতে চাঁদা না পেয়ে গুলি ছোড়ার ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে কৌশলগত কারণে কারও নাম প্রকাশ করা হয়নি।

নগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই হামলার পেছনে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী গ্রুপ জড়িত। এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের বাহিনীর সদস্যরাই ব্যবসায়ীর বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ওই বাহিনীর সদস্য মো. রায়হান ও বোরহানের নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলাটি সংঘটিত হয় বলে পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে উঠে আসে।

পুলিশ জানিয়েছে, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

মোস্তাফিজুর রহমান স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান। তাঁর ভাই সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান এই গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাঁরা পরিবারসহ চট্টগ্রাম নগরীর চন্দনপুরা এলাকায় বসবাস করেন। ঘটনার পর থেকে পরিবার নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

এদিকে রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ দুই মাস আগে এক বড় ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। বিষয়টি পুলিশ কমিশনারকে জানানো হলে তাঁর বাসায় পুলিশ পাহারার ব্যবস্থা করা হয়। সেই গ্রুপ সুবিধা না পেয়ে দুই মাস পর আবার একই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। ভারী অস্ত্র নিয়ে তারা গুলি চালিয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে গতকাল শনিবার ভোর ছয়টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর চন্দনপুরায় মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়।

নগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন কবির ভূঁইয়া জানান, সিসিটিভি ফুটেজ, গোয়েন্দা তথ্য এবং বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে নানামুখী তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে শিল্পপতির বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করা অস্ত্রধারীরা শনাক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময়ঃ ০৭:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামে শিল্পপতি মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়িতে চাঁদা না পেয়ে গুলি ছোড়ার ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে কৌশলগত কারণে কারও নাম প্রকাশ করা হয়নি।

নগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই হামলার পেছনে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী গ্রুপ জড়িত। এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের বাহিনীর সদস্যরাই ব্যবসায়ীর বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ওই বাহিনীর সদস্য মো. রায়হান ও বোরহানের নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলাটি সংঘটিত হয় বলে পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে উঠে আসে।

পুলিশ জানিয়েছে, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

মোস্তাফিজুর রহমান স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান। তাঁর ভাই সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান এই গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাঁরা পরিবারসহ চট্টগ্রাম নগরীর চন্দনপুরা এলাকায় বসবাস করেন। ঘটনার পর থেকে পরিবার নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

এদিকে রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ দুই মাস আগে এক বড় ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। বিষয়টি পুলিশ কমিশনারকে জানানো হলে তাঁর বাসায় পুলিশ পাহারার ব্যবস্থা করা হয়। সেই গ্রুপ সুবিধা না পেয়ে দুই মাস পর আবার একই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। ভারী অস্ত্র নিয়ে তারা গুলি চালিয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে গতকাল শনিবার ভোর ছয়টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর চন্দনপুরায় মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়।

নগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন কবির ভূঁইয়া জানান, সিসিটিভি ফুটেজ, গোয়েন্দা তথ্য এবং বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে নানামুখী তৎপরতা চালানো হচ্ছে।