ঢাকা, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫ | ই-পেপার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথ বাহিনী মোতায়েন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৯ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সংঘর্ষের ঘটনায় যৌথ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন।

এর আগে, বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট বাজারের পূর্ব সীমা থেকে রেলগেট পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশে ১৪৪ ধারা জারি করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন।

ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী মিলন হোসেন সরকার বলেন, “আজ সকাল থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা আমাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। বাসায় বাসায় আক্রমণ করছে। দুপুর ১২টার দিকে সমঝোতা করতে গেলে প্রক্টর ও উপউপাচার্য আহত হন। শিক্ষার্থীদের পাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিল না। ৪টার দিকে তারা এসেছে। যদি আগে আসতো, অনেক শিক্ষার্থী আহত হতো না। দায় সরকারকে নিতে হবে।”

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সমঝোতা করতে গিয়ে উপউপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন, উপউপাচার্য প্রশাসন অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান।

প্রত্যক্ষদর্শী ও মেডিকেল অফিসারদের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩০।

সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে ২ নম্বর গেটে, যেখানে একজন ছাত্রী ভাড়া করা ভবনে প্রবেশ করতে গেলে দারোয়ানের সঙ্গে বিবাদ হয়। শিক্ষার্থীরা দারোয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে স্থানীয়রা ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ এবং পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীরা তুচ্ছ ঘটনায় হামলা চালিয়েছে এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথ বাহিনী মোতায়েন

আপডেট সময়ঃ ০৭:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সংঘর্ষের ঘটনায় যৌথ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন।

এর আগে, বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট বাজারের পূর্ব সীমা থেকে রেলগেট পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশে ১৪৪ ধারা জারি করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন।

ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী মিলন হোসেন সরকার বলেন, “আজ সকাল থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা আমাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। বাসায় বাসায় আক্রমণ করছে। দুপুর ১২টার দিকে সমঝোতা করতে গেলে প্রক্টর ও উপউপাচার্য আহত হন। শিক্ষার্থীদের পাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিল না। ৪টার দিকে তারা এসেছে। যদি আগে আসতো, অনেক শিক্ষার্থী আহত হতো না। দায় সরকারকে নিতে হবে।”

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সমঝোতা করতে গিয়ে উপউপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন, উপউপাচার্য প্রশাসন অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান।

প্রত্যক্ষদর্শী ও মেডিকেল অফিসারদের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩০।

সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে ২ নম্বর গেটে, যেখানে একজন ছাত্রী ভাড়া করা ভবনে প্রবেশ করতে গেলে দারোয়ানের সঙ্গে বিবাদ হয়। শিক্ষার্থীরা দারোয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে স্থানীয়রা ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ এবং পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীরা তুচ্ছ ঘটনায় হামলা চালিয়েছে এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে।