০২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ | ই-পেপার

ঢাকায় ইয়াবার চালান নিয়ে আসার পথে বাস চালক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকায় ইয়াবার চালান নিয়ে আসার পথে কক্সবাজার-ঢাকাগামী সৌদিয়া পরিবহনের চালককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। চালকের নাম মো. দুলাল সরকার (৩৯)। এ সময় তার দেহ ও বাসের ড্যাসবোর্ড তল্লাশি করে তার জিম্মায় থাকা ৭ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। চট্ট মেট্রো-ব-১১-১০৪২ নম্বরের সৌদিয়া বাসটি জব্দ করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গ্রেপ্তার সৌদিয়া বাসচালক দেশের কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন। আজ শনিবার দুপুরে ডিএনসির সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, গতকাল শনিবার ভোর ৪টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার গোলাপবাগস্থ মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজার দক্ষিণ পার্শ্বে চট্ট মেট্রো-ব-১১-১০৪২ নম্বরের সৌদিয়া বাস থেকে বাসচালক মো. দুলাল সরকারের জিম্মায় থাকা অবস্থায় ৭ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। চালক দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ইয়াবা সরবরাহ করে আসছিল বলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বেশ কিছুদিন ধরে তার কার্যক্রম ও গতিবিধি মনিটরিং কারা হচ্ছিল। সর্বশেষ তথ্য আসে বাসচালক ইয়াবার একটি চালান কক্সবাজার থেকে ঢাকায় নিয়ে আসবে এবং ঢাকায় দুই বা তিনটি স্থানে সরবরাহ করবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা বলেন, এ তথ্যানুযায়ী অধিদপ্তরের রমনা সার্কেলের সমন্বয়ে গঠিত টিম তার গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ শেষে সৌদিয়া বাসটি যাত্রাবাড়ী থানার মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের গোলাপবাগ টোল প্লাজায় পৌঁছালে গতিরোধ করা হয় এবং চালক মো. দুলাল সরকারকে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক শনাক্ত করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার দেহ ও বাসের ড্যাসবোর্ড তল্লাশি করে তার জিম্মায় থাকা ৭ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চালক জানায়, তিনি দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন। তিনি অভিনব কৌশলে কক্সবাজার থেকে ইয়াবার বড় চালান এনে ঢাকায় তাদের নির্ধারিত কয়েকজন লোকের মাধ্যমে মাদক সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। তারা কক্সবাজার থেকে মাদক ঢাকায় আনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে। মাদক কারবারের নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন এলাকায় নানান কৌশলে ডেলিভারীর মাধ্যমে ইয়াবার চালান পরিচালনা করতো। এই চক্রের অন্যান্য হোতাদেরও নজরদারিতে রাখা হয়েছে, জড়িতদের বিরুদ্ধে যেকোনো সময় অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও জানান ডিএনসির সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাফরউল্লাহ কাজলের সার্বিক নির্দেশনায়, ঢাকা মেট্রো কার্যালয়ের (উত্তর) উপ-পরিচালক মো. রাশেদুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে এবং ঢাকা মেট্রো কার্যালয়ের (উত্তর) সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান নেতৃত্বে রমনা সার্কেলের সমন্বয়ে গঠিত টিম অভিযানটি পরিচালনা করে।

ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নতুন দুই বিচারপতির সাক্ষাৎ

ঢাকায় ইয়াবার চালান নিয়ে আসার পথে বাস চালক গ্রেপ্তার

আপডেট সময়ঃ ০৯:১৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকায় ইয়াবার চালান নিয়ে আসার পথে কক্সবাজার-ঢাকাগামী সৌদিয়া পরিবহনের চালককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। চালকের নাম মো. দুলাল সরকার (৩৯)। এ সময় তার দেহ ও বাসের ড্যাসবোর্ড তল্লাশি করে তার জিম্মায় থাকা ৭ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। চট্ট মেট্রো-ব-১১-১০৪২ নম্বরের সৌদিয়া বাসটি জব্দ করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গ্রেপ্তার সৌদিয়া বাসচালক দেশের কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন। আজ শনিবার দুপুরে ডিএনসির সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, গতকাল শনিবার ভোর ৪টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার গোলাপবাগস্থ মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজার দক্ষিণ পার্শ্বে চট্ট মেট্রো-ব-১১-১০৪২ নম্বরের সৌদিয়া বাস থেকে বাসচালক মো. দুলাল সরকারের জিম্মায় থাকা অবস্থায় ৭ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। চালক দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ইয়াবা সরবরাহ করে আসছিল বলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বেশ কিছুদিন ধরে তার কার্যক্রম ও গতিবিধি মনিটরিং কারা হচ্ছিল। সর্বশেষ তথ্য আসে বাসচালক ইয়াবার একটি চালান কক্সবাজার থেকে ঢাকায় নিয়ে আসবে এবং ঢাকায় দুই বা তিনটি স্থানে সরবরাহ করবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা বলেন, এ তথ্যানুযায়ী অধিদপ্তরের রমনা সার্কেলের সমন্বয়ে গঠিত টিম তার গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ শেষে সৌদিয়া বাসটি যাত্রাবাড়ী থানার মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের গোলাপবাগ টোল প্লাজায় পৌঁছালে গতিরোধ করা হয় এবং চালক মো. দুলাল সরকারকে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক শনাক্ত করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার দেহ ও বাসের ড্যাসবোর্ড তল্লাশি করে তার জিম্মায় থাকা ৭ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চালক জানায়, তিনি দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন। তিনি অভিনব কৌশলে কক্সবাজার থেকে ইয়াবার বড় চালান এনে ঢাকায় তাদের নির্ধারিত কয়েকজন লোকের মাধ্যমে মাদক সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। তারা কক্সবাজার থেকে মাদক ঢাকায় আনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে। মাদক কারবারের নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন এলাকায় নানান কৌশলে ডেলিভারীর মাধ্যমে ইয়াবার চালান পরিচালনা করতো। এই চক্রের অন্যান্য হোতাদেরও নজরদারিতে রাখা হয়েছে, জড়িতদের বিরুদ্ধে যেকোনো সময় অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও জানান ডিএনসির সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাফরউল্লাহ কাজলের সার্বিক নির্দেশনায়, ঢাকা মেট্রো কার্যালয়ের (উত্তর) উপ-পরিচালক মো. রাশেদুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে এবং ঢাকা মেট্রো কার্যালয়ের (উত্তর) সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান নেতৃত্বে রমনা সার্কেলের সমন্বয়ে গঠিত টিম অভিযানটি পরিচালনা করে।