০৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ | ই-পেপার

নিজেদের সুরক্ষা নিজেদেরই দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের চলমান করোনা মহামারি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জনগণের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, জনগণের দায়িত্ব অনেক বেশি। নিজেদের সুরক্ষার দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে। সরকারের একার পক্ষে তা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, স্টেডিয়াম, বাণিজ্যমেলা এবং বইমেলায় যেতে হলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার সনদ এবং পিসিআর টেস্টের নেগেটিভ সনদ থাকতে হবে। বিয়ে, রাষ্ট্রীয় বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি জমায়েত হতে পারবে না। যারা এসব অনুষ্ঠানে আসবেন তাদের সবার টিকা সনদ বা পিসিআর টেস্টের নেগেটিভ সনদ থাকতে হবে। গতকাল শুক্রবার সকালে চলমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সংক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে ৩৩ শতাংশ শয্যা এরইমধ্যে পূর্ণ হয়েছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে। তাই, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে আগামী দুই সপ্তাহ স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া ১১ দফা বিধিনিষেধ সবাইকে মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, এগুলো কার্যকরের চেষ্টা চলছে। সংক্রমণ যাতে কমে সেজন্য এই সিদ্ধান্ত। পরিবার, দেশ ও নিজের সুরক্ষার জন্য আমাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নিয়মগুলো মানতে হবে। সরকার বিধিনিষেধ দেন, যাতে আমরা মেনে চলি। মন্ত্রী বলেন, যেখানে খেলাধুলা আছে সেখানে যেতে টিকা সনদের পাশাপাশি করোনা টেস্টের নেগেটিভ সনদও লাগবে। এগুলো বইমেলায়ও দেখাতে হবে। সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে বইমেলা পেছানো হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতই আমরাও চলমান পরিস্থিতির বাইরে নই। এসময় তিনি সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। টিকার লক্ষ্যমাত্রা ৭০ শতাংশে নামিয়ে আনার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সাড়ে ১২ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার কথা বলে এসেছি। তা কিন্তু ৭০ ভাগের মধ্যে। অনেকে বাইরে থাকে। সবমিলিয়ে আমরা ১৫ কোটি ১০ লাখ টিকা দিয়েছি। হাতে ৯ কোটি আছে। আমরা জনসনের তিন লাখ ৩৭ হাজার টিকা পেয়েছি। আরও আসবে। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাণিজ্যমেলা, বিপিএল ও পর্যটনকেন্দ্রসহ অনুষ্ঠিতব্য বইমেলাতে প্রবেশের ক্ষেত্রে করোনার টিকা সনদ ও কোভিড টেস্টের সনদ প্রদর্শন করতে হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। মন্ত্রী বলেন, আমরা আপনাদের আগেই বলেছি, যে কোনো সমাগমে যেতে হলে আপনারা যাবেন। বিশেষ করে সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে ১০০ জনের বেশি লোক যেতে পারবেন না। অবশ্য যেখানে খেলার বিষয় আসবে সেখানে ১০০ এর বেশি লোক যাবে না, একথা তো বলা যাবে না। কারণ এটা স্টেডিয়ামে হয়। সেখানে টিকা সনদ নিয়ে, টেস্টের সনদ নিয়ে যেতে হবে। এর বাইরে সম্ভব নয়। এটা সর্বক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সেটা বইমেলার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। এগুলোতে টিকা সনদ ও করোনা টেস্টের সনদ দেখিয়ে ঢুকতে হবে। তিনি বলেন, সংক্রমনের হার বৃদ্ধি পেয়েছে বিধায় বইমেলা দুই সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেটা ১৫-ই ফেব্রুয়ারিতে শুরু হবে। সেখানেও একটি বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে বইমেলা কীভাবে পরিচালিত হবে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো- পৃথিবী যেভাবে চলছে, যেভাবে বিধি-নিষেধগুলো দিচ্ছে, আমরাও তার বাইরে নই। তবে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় এখনো আমরা ভালো আছি এবং এই ভালোটা আমাদের রাখতে হবে। বাণিজ্য মেলা ও পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এই নির্দেশনাটা এখন থেকে আমরা শুরু করলাম। যদি মেলা বা হোটেলে যেতে হয়, যদি রেস্টুরেন্টে যেতে হয়, এই ধরনের সনদ, টিকার সনদ এবং কোভিড টেস্টের সনদ নিয়েই তাদের যেতে হবে। করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় অর্ধেক লোক নিয়ে অফিসের কার্যক্রম চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, এটা খুব শিগগির প্রজ্ঞাপন আকারে চলে আসবে। গণপরিবহনে যাতে ভোগান্তি না হয়, সে জন্য অর্ধেক লোক দিয়ে অফিস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সংক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে ৩৩ শতাংশ শয্যা ইতোমধ্যে পূর্ণ হয়েছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে। তাই, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে আগামী দুই সপ্তাহ স্কুল- কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিয়ে, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অংশ নিতে পারবে না। যারা অংশ নিবেন তাদের সবার টিকা সনদ থাকতে হবে। সরকারি বিধিনিষেধ সবাইকে মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, এগুলো কার্যকরের চেষ্টা চলছে। সংক্রমণ যাতে কমে সে জন্য এই সিদ্ধান্ত। পরিবার, দেশ ও নিজের সুরক্ষার জন্য আমাদের নিয়মগুলো মানতে হবে। সরকার বিধিনিষেধ দেয় যাতে আমরা তা মেনে চলি। মন্ত্রী বলেন, যেখানে খেলাধুলা আছে সেখানে টিকা সনদের পাশাপাশি টেস্টের সনদও লাগবে। এগুলো বইমেলায়ও দেখাতে হবে। সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে বইমেলা পেছানো হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতোই আমরাও চলমান পরিস্থিতির বাইরে নই। নির্দেশনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব প্রশাসনের জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা চাইবো তারা যেন আরও নজরদারি বাড়ান। জনগণের দায়িত্ব আরও বেশি। নিজেদের সুরক্ষায় এটি নিজেদেরই পালন করতে হবে। সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলমসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনান্য কর্মকর্তারা। এছাড়া গতকাল শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদের আরোপ করা বিধিনিষেধেও একই ধরনের কথা বলা হয়েছে। এই বিধিনিষেধে বলা হয়- রাষ্ট্রীয়-সামাজিক-রাজনৈতিক-ধর্মীয় সমাবেশ অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি সমাবেশ করা যাবে না। এসব ক্ষেত্রে যারা যোগ দেবেন তাদের অবশ্যই ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর সার্টিফিকেট আনতে হবে এবং বাজার, মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশনসহ সবধরনের জনসমাবেশে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নতুন দুই বিচারপতির সাক্ষাৎ

নিজেদের সুরক্ষা নিজেদেরই দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময়ঃ ০৪:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের চলমান করোনা মহামারি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জনগণের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, জনগণের দায়িত্ব অনেক বেশি। নিজেদের সুরক্ষার দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে। সরকারের একার পক্ষে তা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, স্টেডিয়াম, বাণিজ্যমেলা এবং বইমেলায় যেতে হলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার সনদ এবং পিসিআর টেস্টের নেগেটিভ সনদ থাকতে হবে। বিয়ে, রাষ্ট্রীয় বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি জমায়েত হতে পারবে না। যারা এসব অনুষ্ঠানে আসবেন তাদের সবার টিকা সনদ বা পিসিআর টেস্টের নেগেটিভ সনদ থাকতে হবে। গতকাল শুক্রবার সকালে চলমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সংক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে ৩৩ শতাংশ শয্যা এরইমধ্যে পূর্ণ হয়েছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে। তাই, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে আগামী দুই সপ্তাহ স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া ১১ দফা বিধিনিষেধ সবাইকে মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, এগুলো কার্যকরের চেষ্টা চলছে। সংক্রমণ যাতে কমে সেজন্য এই সিদ্ধান্ত। পরিবার, দেশ ও নিজের সুরক্ষার জন্য আমাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নিয়মগুলো মানতে হবে। সরকার বিধিনিষেধ দেন, যাতে আমরা মেনে চলি। মন্ত্রী বলেন, যেখানে খেলাধুলা আছে সেখানে যেতে টিকা সনদের পাশাপাশি করোনা টেস্টের নেগেটিভ সনদও লাগবে। এগুলো বইমেলায়ও দেখাতে হবে। সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে বইমেলা পেছানো হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতই আমরাও চলমান পরিস্থিতির বাইরে নই। এসময় তিনি সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। টিকার লক্ষ্যমাত্রা ৭০ শতাংশে নামিয়ে আনার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সাড়ে ১২ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার কথা বলে এসেছি। তা কিন্তু ৭০ ভাগের মধ্যে। অনেকে বাইরে থাকে। সবমিলিয়ে আমরা ১৫ কোটি ১০ লাখ টিকা দিয়েছি। হাতে ৯ কোটি আছে। আমরা জনসনের তিন লাখ ৩৭ হাজার টিকা পেয়েছি। আরও আসবে। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাণিজ্যমেলা, বিপিএল ও পর্যটনকেন্দ্রসহ অনুষ্ঠিতব্য বইমেলাতে প্রবেশের ক্ষেত্রে করোনার টিকা সনদ ও কোভিড টেস্টের সনদ প্রদর্শন করতে হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। মন্ত্রী বলেন, আমরা আপনাদের আগেই বলেছি, যে কোনো সমাগমে যেতে হলে আপনারা যাবেন। বিশেষ করে সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে ১০০ জনের বেশি লোক যেতে পারবেন না। অবশ্য যেখানে খেলার বিষয় আসবে সেখানে ১০০ এর বেশি লোক যাবে না, একথা তো বলা যাবে না। কারণ এটা স্টেডিয়ামে হয়। সেখানে টিকা সনদ নিয়ে, টেস্টের সনদ নিয়ে যেতে হবে। এর বাইরে সম্ভব নয়। এটা সর্বক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সেটা বইমেলার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। এগুলোতে টিকা সনদ ও করোনা টেস্টের সনদ দেখিয়ে ঢুকতে হবে। তিনি বলেন, সংক্রমনের হার বৃদ্ধি পেয়েছে বিধায় বইমেলা দুই সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেটা ১৫-ই ফেব্রুয়ারিতে শুরু হবে। সেখানেও একটি বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে বইমেলা কীভাবে পরিচালিত হবে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো- পৃথিবী যেভাবে চলছে, যেভাবে বিধি-নিষেধগুলো দিচ্ছে, আমরাও তার বাইরে নই। তবে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় এখনো আমরা ভালো আছি এবং এই ভালোটা আমাদের রাখতে হবে। বাণিজ্য মেলা ও পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এই নির্দেশনাটা এখন থেকে আমরা শুরু করলাম। যদি মেলা বা হোটেলে যেতে হয়, যদি রেস্টুরেন্টে যেতে হয়, এই ধরনের সনদ, টিকার সনদ এবং কোভিড টেস্টের সনদ নিয়েই তাদের যেতে হবে। করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় অর্ধেক লোক নিয়ে অফিসের কার্যক্রম চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, এটা খুব শিগগির প্রজ্ঞাপন আকারে চলে আসবে। গণপরিবহনে যাতে ভোগান্তি না হয়, সে জন্য অর্ধেক লোক দিয়ে অফিস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সংক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে ৩৩ শতাংশ শয্যা ইতোমধ্যে পূর্ণ হয়েছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে। তাই, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে আগামী দুই সপ্তাহ স্কুল- কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিয়ে, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অংশ নিতে পারবে না। যারা অংশ নিবেন তাদের সবার টিকা সনদ থাকতে হবে। সরকারি বিধিনিষেধ সবাইকে মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, এগুলো কার্যকরের চেষ্টা চলছে। সংক্রমণ যাতে কমে সে জন্য এই সিদ্ধান্ত। পরিবার, দেশ ও নিজের সুরক্ষার জন্য আমাদের নিয়মগুলো মানতে হবে। সরকার বিধিনিষেধ দেয় যাতে আমরা তা মেনে চলি। মন্ত্রী বলেন, যেখানে খেলাধুলা আছে সেখানে টিকা সনদের পাশাপাশি টেস্টের সনদও লাগবে। এগুলো বইমেলায়ও দেখাতে হবে। সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে বইমেলা পেছানো হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতোই আমরাও চলমান পরিস্থিতির বাইরে নই। নির্দেশনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব প্রশাসনের জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা চাইবো তারা যেন আরও নজরদারি বাড়ান। জনগণের দায়িত্ব আরও বেশি। নিজেদের সুরক্ষায় এটি নিজেদেরই পালন করতে হবে। সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলমসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনান্য কর্মকর্তারা। এছাড়া গতকাল শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদের আরোপ করা বিধিনিষেধেও একই ধরনের কথা বলা হয়েছে। এই বিধিনিষেধে বলা হয়- রাষ্ট্রীয়-সামাজিক-রাজনৈতিক-ধর্মীয় সমাবেশ অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি সমাবেশ করা যাবে না। এসব ক্ষেত্রে যারা যোগ দেবেন তাদের অবশ্যই ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর সার্টিফিকেট আনতে হবে এবং বাজার, মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশনসহ সবধরনের জনসমাবেশে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।