০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ | ই-পেপার

নিত্যপণ্য ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে নজরদারি জরুরি: ন্যাপ

  • দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ১০:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৫৪১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে বাজার মনিটরিং ও নজরদারি বাড়ানো জরুরি বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি- বাংলাদেশ ন্যাপ। সেই সঙ্গে লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করারও আহ্বান জানিয়েছেন ন্যাপের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব। গতকাল সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ আহ্বান জানান। তারা বলেন, আটা থেকে পেঁয়াজ, রসুন, গোল আলুসহ মাছ-গোশত-শাকসবজি-ডিমের মূল্য পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সব মিলিয়ে বাজারের উত্তাপে সাধারণ মানুষ দিশেহারা। বাজারে গিয়ে সাধ্যের মধ্যে বাজার করতে না পেরে তাদের মধ্যে ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি চাকরিজীবী, নিয়মিত বেতন-বোনাস পাওয়া প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কমচারী ছাড়া অন্যান্যের অবস্থা খুবই করুণ। করোনার অজুহাতে বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানে লোকবল ছাঁটাই ও বেতন কমিয়ে দেওয়ায় অনেকে এখন আর কুলিয়ে উঠতে পারছেন না। ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ এমন ৩৫ শতাংশ মানুষ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কুফল ভোগ করছেন। বিবৃতিতে তারা বলেন, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় টিসিবি ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তেল-চিনিসহ কয়েকটি পণ্য বিক্রি করবে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহকৃত পণ্য অপ্রতুল। যে কারণে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসছে না। বরং এসব পণ্যও কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। আবার সব ধরনের পণ্য না কিনলে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক ক্রেতাকে। তবে টিসিবির পণ্য কিনতে আসা মানুষের সংখ্যা গাণিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মধ্য আয়ের অনেক মানুষকেও লাইনে দাঁড়াতে দেখা গেছে। তারা বলেন, দেশবাসী মনে করছেন, সংসদে ব্যবসায়ীদের আধিক্য আর বাণিজ্য ও খাদ্য মন্ত্রণালয় দুইজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীর কব্জায় থাকায় ক্রেতাসাধারণের দুর্ভোগ কমছে না। সেবার বদলে ব্যবসা প্রাধান্য পাওয়ায় নিত্যপণ্যের বাজার ঊর্ধ্বমুখী বলে সচেতন জনগোষ্ঠীর অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দিন যত যাচ্ছে, এসব অভিযোগ ও পণ্যমূল্য ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়, জবাবদিহির ব্যবস্থা না থাকায় ব্যবসায়ীরা এমন বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। এদের লাগাম টেনে ধরা দরকার। এভাবে চলতে দেওয়া যায় না। বৃহৎ জনগোষ্ঠীর স্বার্থে এদের নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। অন্যথায় বাজার ক্রেতাদের দুর্ভোগে পরিণত হবে। এমন হলে ক্রেতাসাধারণের কষ্ট আরও বাড়বে। অসৎ ব্যবসায়ীরা আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যাবেন। তারা আরও বলেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং, তদারকি ও সুষ্ঠু নজরদারির অভাবে বাজার অস্থিতিশীল। দায়িত্বশীলরা কালোবাজারি ও অসৎ ব্যবসায়ীদের কারসাজি রুখে দিতে পারলে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল থাকতো বলে মনে করে জনগণ। নিত্যপণ্যের বাজার সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে অবিলম্বে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার ও অসৎ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নতুন দুই বিচারপতির সাক্ষাৎ

নিত্যপণ্য ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে নজরদারি জরুরি: ন্যাপ

আপডেট সময়ঃ ১০:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে বাজার মনিটরিং ও নজরদারি বাড়ানো জরুরি বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি- বাংলাদেশ ন্যাপ। সেই সঙ্গে লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করারও আহ্বান জানিয়েছেন ন্যাপের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব। গতকাল সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ আহ্বান জানান। তারা বলেন, আটা থেকে পেঁয়াজ, রসুন, গোল আলুসহ মাছ-গোশত-শাকসবজি-ডিমের মূল্য পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সব মিলিয়ে বাজারের উত্তাপে সাধারণ মানুষ দিশেহারা। বাজারে গিয়ে সাধ্যের মধ্যে বাজার করতে না পেরে তাদের মধ্যে ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি চাকরিজীবী, নিয়মিত বেতন-বোনাস পাওয়া প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কমচারী ছাড়া অন্যান্যের অবস্থা খুবই করুণ। করোনার অজুহাতে বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানে লোকবল ছাঁটাই ও বেতন কমিয়ে দেওয়ায় অনেকে এখন আর কুলিয়ে উঠতে পারছেন না। ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ এমন ৩৫ শতাংশ মানুষ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কুফল ভোগ করছেন। বিবৃতিতে তারা বলেন, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় টিসিবি ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তেল-চিনিসহ কয়েকটি পণ্য বিক্রি করবে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহকৃত পণ্য অপ্রতুল। যে কারণে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসছে না। বরং এসব পণ্যও কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। আবার সব ধরনের পণ্য না কিনলে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক ক্রেতাকে। তবে টিসিবির পণ্য কিনতে আসা মানুষের সংখ্যা গাণিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মধ্য আয়ের অনেক মানুষকেও লাইনে দাঁড়াতে দেখা গেছে। তারা বলেন, দেশবাসী মনে করছেন, সংসদে ব্যবসায়ীদের আধিক্য আর বাণিজ্য ও খাদ্য মন্ত্রণালয় দুইজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীর কব্জায় থাকায় ক্রেতাসাধারণের দুর্ভোগ কমছে না। সেবার বদলে ব্যবসা প্রাধান্য পাওয়ায় নিত্যপণ্যের বাজার ঊর্ধ্বমুখী বলে সচেতন জনগোষ্ঠীর অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দিন যত যাচ্ছে, এসব অভিযোগ ও পণ্যমূল্য ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়, জবাবদিহির ব্যবস্থা না থাকায় ব্যবসায়ীরা এমন বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। এদের লাগাম টেনে ধরা দরকার। এভাবে চলতে দেওয়া যায় না। বৃহৎ জনগোষ্ঠীর স্বার্থে এদের নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। অন্যথায় বাজার ক্রেতাদের দুর্ভোগে পরিণত হবে। এমন হলে ক্রেতাসাধারণের কষ্ট আরও বাড়বে। অসৎ ব্যবসায়ীরা আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যাবেন। তারা আরও বলেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং, তদারকি ও সুষ্ঠু নজরদারির অভাবে বাজার অস্থিতিশীল। দায়িত্বশীলরা কালোবাজারি ও অসৎ ব্যবসায়ীদের কারসাজি রুখে দিতে পারলে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল থাকতো বলে মনে করে জনগণ। নিত্যপণ্যের বাজার সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে অবিলম্বে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার ও অসৎ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।