০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ | ই-পেপার

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বৈধতা জানতে রুল জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের নিয়োগ কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও মুবিনা আসাফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন ও নাঈম সরদার। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুর রহমান। তাকে সহযোগিতা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহফুজ বিন ইউসুফ, অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট একরামুল কবির ও অ্যাডভোকেট মো. ঈসা। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যানের বৈধতা জানতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব একটি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ও তিনজন আইনজীবীর পক্ষ থেকে নোটিশটি পাঠান। নোটিশে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়। নোটিশদাতারা হলেন— মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট নাঈম সরদার ও ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওসমান গনি। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের নিরাপদ খাদ্য আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী খাদ্য বিষয়ে অন্যূন ২৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং বিস্তৃত বিশেষায়িত জ্ঞান ও দক্ষতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগলাভের যোগ্য হবেন। অথচ বর্তমান চেয়ারম্যান একজন অতিরিক্ত সচিব। নিরাপদ খাদ্য আইনের ৯ ধারার কোনও যোগ্যতাই বর্তমান চেয়ারম্যানের নেই। কোন যোগ্যতাবলে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান তার পদে রয়েছেন— সে সম্পর্কে বিবাদীদের নোটিশ গ্রহণের তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। উপযুক্ত জবাব দিতে ব্যর্থ হলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছিল। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করা হয়। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করলেন। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের পদটি একটি টেকনিক্যাল পোস্ট। অথচ এখানে নিয়োগ হয়েছে একজন সরকারি আমলাকে, যার খাদ্য সম্পর্কে কোনও অভিজ্ঞতাই নেই। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছেন। আশা করছি, সংশ্লিষ্টরা রুলের জবাব দেবেন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নতুন দুই বিচারপতির সাক্ষাৎ

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বৈধতা জানতে রুল জারি

আপডেট সময়ঃ ০৫:১৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের নিয়োগ কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও মুবিনা আসাফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন ও নাঈম সরদার। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুর রহমান। তাকে সহযোগিতা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহফুজ বিন ইউসুফ, অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট একরামুল কবির ও অ্যাডভোকেট মো. ঈসা। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যানের বৈধতা জানতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব একটি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ও তিনজন আইনজীবীর পক্ষ থেকে নোটিশটি পাঠান। নোটিশে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়। নোটিশদাতারা হলেন— মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট নাঈম সরদার ও ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওসমান গনি। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের নিরাপদ খাদ্য আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী খাদ্য বিষয়ে অন্যূন ২৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং বিস্তৃত বিশেষায়িত জ্ঞান ও দক্ষতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগলাভের যোগ্য হবেন। অথচ বর্তমান চেয়ারম্যান একজন অতিরিক্ত সচিব। নিরাপদ খাদ্য আইনের ৯ ধারার কোনও যোগ্যতাই বর্তমান চেয়ারম্যানের নেই। কোন যোগ্যতাবলে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান তার পদে রয়েছেন— সে সম্পর্কে বিবাদীদের নোটিশ গ্রহণের তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। উপযুক্ত জবাব দিতে ব্যর্থ হলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছিল। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করা হয়। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করলেন। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের পদটি একটি টেকনিক্যাল পোস্ট। অথচ এখানে নিয়োগ হয়েছে একজন সরকারি আমলাকে, যার খাদ্য সম্পর্কে কোনও অভিজ্ঞতাই নেই। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছেন। আশা করছি, সংশ্লিষ্টরা রুলের জবাব দেবেন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।