০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫ | ই-পেপার

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার শেখ হাসিনাকে নিয়ে চিরকুট

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:২৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৫ বার পড়া হয়েছে

হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে লেখা একটি চার লাইনের কবিতা পাওয়া গেছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল থেকে টানা ৪ মাস ১৮ দিন পর খোলা ১৪টি দানবাক্স থেকে টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনার গয়নার সঙ্গে মিলেছে এ চিরকুট।

চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘শেখ হাসিনা আসবে বাংলাদেশ হাসবে, শেখ হাসিনা বীরের বেশে আসবে ফিরে বাংলাদেশে, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।’ যা ইতোমধ্যেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

চিঠির লেখাগুলো একজন সাধারণ নাগরিকের দৃষ্টিভঙ্গি, প্রত্যাশা এবং রাজনৈতিক বিশ্বাসকে তুলে ধরে বলে মনে করছেন অনেকেই। কে এই চিঠি লিখেছে, তা জানা না গেলেও, এটি স্পষ্ট যে লেখক শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী।

এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ দেখছেন একে শেখ হাসিনার প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে, কেউ বলছেন এটি ব্যক্তিগত মত প্রকাশের এক ব্যতিক্রমী ধরণ।

পাগলা মসজিদ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দানবাক্সে নানা ধরনের চিঠি বা বার্তা প্রায়শই পাওয়া যায়।

জানা গেছে, মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পার্শ্ববর্তী জামিয়া এমদাদিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ চার শতাধিক মানুষের একটি দল এসব বস্তাভর্তি টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন।

এর আগে ৪ মাস ১২ দিন পর চলতি বছরের ১২ এপ্রিল পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে রেকর্ড ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছিল বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার শেখ হাসিনাকে নিয়ে চিরকুট

আপডেট সময়ঃ ০৬:২৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে লেখা একটি চার লাইনের কবিতা পাওয়া গেছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল থেকে টানা ৪ মাস ১৮ দিন পর খোলা ১৪টি দানবাক্স থেকে টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনার গয়নার সঙ্গে মিলেছে এ চিরকুট।

চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘শেখ হাসিনা আসবে বাংলাদেশ হাসবে, শেখ হাসিনা বীরের বেশে আসবে ফিরে বাংলাদেশে, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।’ যা ইতোমধ্যেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

চিঠির লেখাগুলো একজন সাধারণ নাগরিকের দৃষ্টিভঙ্গি, প্রত্যাশা এবং রাজনৈতিক বিশ্বাসকে তুলে ধরে বলে মনে করছেন অনেকেই। কে এই চিঠি লিখেছে, তা জানা না গেলেও, এটি স্পষ্ট যে লেখক শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী।

এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ দেখছেন একে শেখ হাসিনার প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে, কেউ বলছেন এটি ব্যক্তিগত মত প্রকাশের এক ব্যতিক্রমী ধরণ।

পাগলা মসজিদ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দানবাক্সে নানা ধরনের চিঠি বা বার্তা প্রায়শই পাওয়া যায়।

জানা গেছে, মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পার্শ্ববর্তী জামিয়া এমদাদিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ চার শতাধিক মানুষের একটি দল এসব বস্তাভর্তি টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন।

এর আগে ৪ মাস ১২ দিন পর চলতি বছরের ১২ এপ্রিল পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে রেকর্ড ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছিল বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার।