০৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫ | ই-পেপার

বিশেষ ক্ষমতা আইন ও জাতীয় আইনের আওতায় সাম্প্রদায়িক অপশক্তির শাস্তি দাবি: রানা দাশ গুপ্ত

মোঃ ইসমাইল হোসেন :
নোয়াখালীর চৌমুহনী বাজারে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দোকানপাট, একাধিক মন্দিরে হামলা-ভাঙচুরে ঘটনায় বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ মন্দির পরিদর্শন করেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত। রোববার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ এ জাতীয় আইনের আওতায় সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে চিহ্নিত করে তাদের অনতিবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ, আহতদের চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং মট মন্দির গুলো যা ক্ষতি হয়েছে এটি পুনরায় নির্মাণ করে দেয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানান। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন জায়গায় মন্দিরে হামলার মাধ্যমে তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে । তাদের উদ্দেশ্য হলো দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে মুক্তিযুদ্ধের দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে সে উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করা। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিদেশে বিনষ্ট করা এবং এই জাতীয় হামলার মধ্য দিয়ে সংখ্যালগুদের দেশত্যাগে বাধ্য করা। আমরা এর প্রতিবাদে আগামী ২৩শে অক্টোবর শনিবার সারা বাংলাদেশের সকাল ৬টা থেকে ১২টা পর্যন্ত গণ-অনশন ও অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষণা করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগাড়সহ কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না: পরিবেশ উপদেষ্টা

বিশেষ ক্ষমতা আইন ও জাতীয় আইনের আওতায় সাম্প্রদায়িক অপশক্তির শাস্তি দাবি: রানা দাশ গুপ্ত

আপডেট সময়ঃ ০৯:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১

মোঃ ইসমাইল হোসেন :
নোয়াখালীর চৌমুহনী বাজারে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দোকানপাট, একাধিক মন্দিরে হামলা-ভাঙচুরে ঘটনায় বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্থ মন্দির পরিদর্শন করেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত। রোববার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ এ জাতীয় আইনের আওতায় সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে চিহ্নিত করে তাদের অনতিবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ, আহতদের চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং মট মন্দির গুলো যা ক্ষতি হয়েছে এটি পুনরায় নির্মাণ করে দেয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানান। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন জায়গায় মন্দিরে হামলার মাধ্যমে তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে । তাদের উদ্দেশ্য হলো দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে মুক্তিযুদ্ধের দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে সে উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করা। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিদেশে বিনষ্ট করা এবং এই জাতীয় হামলার মধ্য দিয়ে সংখ্যালগুদের দেশত্যাগে বাধ্য করা। আমরা এর প্রতিবাদে আগামী ২৩শে অক্টোবর শনিবার সারা বাংলাদেশের সকাল ৬টা থেকে ১২টা পর্যন্ত গণ-অনশন ও অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষণা করেন।