১২:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৫ | ই-পেপার

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, মাদকসেবী ও কারবারিদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। ভোট ধরে রাখতে অনেকে মাদক কারবারিদের সঙ্গে আপোশ করেন। প্রতিটি গ্রামে মাদকের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান চালাতে জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে। গতকাল শনিবার দুপুরে পোরশা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে বা সাজা দিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। যার যার অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এখন মাদক কারবারিরা অনেক নতুন ধরনের মাদক সমাজ ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এসব ভয়াল মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। তিনি বলেন, জেলা বা উপজেলা আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী মাদক কারবারির পক্ষে সুপারিশ করতে পারবেন না। যদি কোনো নেতাকর্মী কোনো মাদক ব্যবসায়ীর পক্ষে সুপারিশ করতে যান ওই মামলার চার্জশিটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন?্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, আগামী প্রজন্মকে মাদকের প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে একটি সুস্থ জাঁতি ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে পরিবার থেকেই আন্দোলন শুরু হওয়া দরকার। মাদকের বিরুদ্ধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এক সঙ্গে কাজ করারও আহবান জানান। পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা আক্তারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ফজলুর রহমান, পোরশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী, সহকারী কমিশনার ভূমি জাকির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন মোল্লা ও নিতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এনামুল হক বক্তব্য রাখেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগাড়সহ কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না: পরিবেশ উপদেষ্টা

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী

আপডেট সময়ঃ ০৭:৩১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জুলাই ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, মাদকসেবী ও কারবারিদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। ভোট ধরে রাখতে অনেকে মাদক কারবারিদের সঙ্গে আপোশ করেন। প্রতিটি গ্রামে মাদকের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান চালাতে জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে। গতকাল শনিবার দুপুরে পোরশা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে বা সাজা দিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। যার যার অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এখন মাদক কারবারিরা অনেক নতুন ধরনের মাদক সমাজ ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এসব ভয়াল মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। তিনি বলেন, জেলা বা উপজেলা আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী মাদক কারবারির পক্ষে সুপারিশ করতে পারবেন না। যদি কোনো নেতাকর্মী কোনো মাদক ব্যবসায়ীর পক্ষে সুপারিশ করতে যান ওই মামলার চার্জশিটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন?্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, আগামী প্রজন্মকে মাদকের প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে একটি সুস্থ জাঁতি ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে পরিবার থেকেই আন্দোলন শুরু হওয়া দরকার। মাদকের বিরুদ্ধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এক সঙ্গে কাজ করারও আহবান জানান। পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা আক্তারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ফজলুর রহমান, পোরশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী, সহকারী কমিশনার ভূমি জাকির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন মোল্লা ও নিতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এনামুল হক বক্তব্য রাখেন।