০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ | ই-পেপার

রংপুরে ভাদ্রের ভ্যাপসা গরম ও বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিং এ জনজীবন বিপর্যস্ত

  • দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৫:৪০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৫৭৫ বার পড়া হয়েছে
মোঃ মমিনুর রহমান, রংপুর প্রতিনিধ :

রংপুর মহানগরী সহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ভাদ্রের ভ্যাপসা গরম ও বিদ্যুৎ বিভাগের ঘনঘন লোডশেডিং এ জনজীবনে বিপর্যস্ত নেমে এসেছে।

শ্রাবণ  পার হয়ে ভাদ্রের শেষের দিকে হলেও এখানো বৃষ্টির দেখা নেই উত্তরের বিভিন্ন জেলায় তার মধ্যে  দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী অন্যতম। বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায়  সর্বত্র বিরাজ করছে কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা গরম। ফলে এখানকার প্রাণিকুলসহ জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার  প্রতিদিন ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে।
এদিকে তীব্র গরমের সাথে পাল্লা  দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। মানুষ বৈদ্যুতিক পাখার সাহায্যে ঠান্ডা হওয়ার চেষ্টা করলেও লোডশেডিংয়ের কারণে তা পারছেন না। ফলে দিন-রাতের ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল হচ্ছেন তারা। তীব্র রোদ-গরমে দিনমজুরদের পক্ষে মাঠ-ঘাটে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভিক্ষুকরাও ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।
কাচারী বাজারে  ভিক্ষুক মোবারক  আলী(৭০) বলেন, তীব্র রোদ আর গরমের কারণে শহরে  বের হতে পারছিনা ফলে আয় রোজগার কমে গেছে পরিবার নিয়ে কঠিন অসুবিধায় পড়েছি।
একই এলাকার রমিছন বিবি (৫৫) জানান, অন্যের বাড়িতে কাজ করে পেটের খাবার যোগাই। কিন্তু কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমে কাজ করতে যেতে পাচ্ছি না।
লালবাগ বাজারের  ডেকোরেটার ব্যবসায়ী হাফিজুল ইসলাম বলেন , কয়েকটা অনুষ্ঠানের অর্ডার পেয়েছি । কিন্তু তীব্র দাপদাহ ও প্রচন্ড গরমের কারনে কারিগররা বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।
রংপুর কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের  সামনে দীর্ঘ ৩০ বৎসর যাবৎ ভাজা বিক্রেতা মোঃ মাহমুদ মিয়া জানান, আমি অনেকদিন যাবৎ এখানে ব্যবসা করে আসছি। আমার জীবনে এমন গরম দেখি নাই। রুজি করে পরিবার চালানোর প্রয়োজনে এই তীব্র গরমে বাহিরে বাহির হয়েছি।
এদিকে গরমের তীব্রতা থেকে মানুষের পাশাপাশি রেহাই পাচ্ছে না গৃহপালিত পশুও। মাঠে চরানো অনেক গবাদি পশুকে তীব্র গরমে পানিতে নামতে ও গাছতলার ছায়ায় ছুিটতে দেখা গেছে। আরোও কয়েকদিন এমনি আবহাওয়া বিরাজ করবে বলে জানান, আবহাওয়া দপ্তরের সাথে জড়িত কর্মকর্তা। সব মিলে বর্তমানে সর্বত্রে রোদ ও ভ্যাপসা গরম বিরাজ করছে। হাট-বাজারে লোকজনের সমাগম অনেক কম লক্ষ করা যায়।
ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নতুন দুই বিচারপতির সাক্ষাৎ

রংপুরে ভাদ্রের ভ্যাপসা গরম ও বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিং এ জনজীবন বিপর্যস্ত

আপডেট সময়ঃ ০৫:৪০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
মোঃ মমিনুর রহমান, রংপুর প্রতিনিধ :

রংপুর মহানগরী সহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ভাদ্রের ভ্যাপসা গরম ও বিদ্যুৎ বিভাগের ঘনঘন লোডশেডিং এ জনজীবনে বিপর্যস্ত নেমে এসেছে।

শ্রাবণ  পার হয়ে ভাদ্রের শেষের দিকে হলেও এখানো বৃষ্টির দেখা নেই উত্তরের বিভিন্ন জেলায় তার মধ্যে  দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী অন্যতম। বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায়  সর্বত্র বিরাজ করছে কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা গরম। ফলে এখানকার প্রাণিকুলসহ জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার  প্রতিদিন ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে।
এদিকে তীব্র গরমের সাথে পাল্লা  দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। মানুষ বৈদ্যুতিক পাখার সাহায্যে ঠান্ডা হওয়ার চেষ্টা করলেও লোডশেডিংয়ের কারণে তা পারছেন না। ফলে দিন-রাতের ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল হচ্ছেন তারা। তীব্র রোদ-গরমে দিনমজুরদের পক্ষে মাঠ-ঘাটে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভিক্ষুকরাও ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।
কাচারী বাজারে  ভিক্ষুক মোবারক  আলী(৭০) বলেন, তীব্র রোদ আর গরমের কারণে শহরে  বের হতে পারছিনা ফলে আয় রোজগার কমে গেছে পরিবার নিয়ে কঠিন অসুবিধায় পড়েছি।
একই এলাকার রমিছন বিবি (৫৫) জানান, অন্যের বাড়িতে কাজ করে পেটের খাবার যোগাই। কিন্তু কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমে কাজ করতে যেতে পাচ্ছি না।
লালবাগ বাজারের  ডেকোরেটার ব্যবসায়ী হাফিজুল ইসলাম বলেন , কয়েকটা অনুষ্ঠানের অর্ডার পেয়েছি । কিন্তু তীব্র দাপদাহ ও প্রচন্ড গরমের কারনে কারিগররা বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।
রংপুর কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের  সামনে দীর্ঘ ৩০ বৎসর যাবৎ ভাজা বিক্রেতা মোঃ মাহমুদ মিয়া জানান, আমি অনেকদিন যাবৎ এখানে ব্যবসা করে আসছি। আমার জীবনে এমন গরম দেখি নাই। রুজি করে পরিবার চালানোর প্রয়োজনে এই তীব্র গরমে বাহিরে বাহির হয়েছি।
এদিকে গরমের তীব্রতা থেকে মানুষের পাশাপাশি রেহাই পাচ্ছে না গৃহপালিত পশুও। মাঠে চরানো অনেক গবাদি পশুকে তীব্র গরমে পানিতে নামতে ও গাছতলার ছায়ায় ছুিটতে দেখা গেছে। আরোও কয়েকদিন এমনি আবহাওয়া বিরাজ করবে বলে জানান, আবহাওয়া দপ্তরের সাথে জড়িত কর্মকর্তা। সব মিলে বর্তমানে সর্বত্রে রোদ ও ভ্যাপসা গরম বিরাজ করছে। হাট-বাজারে লোকজনের সমাগম অনেক কম লক্ষ করা যায়।