সিএনজি চাঁদা ইস্যুতে অপপ্রচার নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? ময়মনসিংহে উত্তপ্ত বিতর্ক
- আপডেট সময়ঃ ১০:১৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৬ বার পড়া হয়েছে
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহ জেলাজুড়ে সিএনজি চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সম্প্রতি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিষয়টি ঘিরে ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত দাস দুকুল–এর বিরুদ্ধে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে তার সমর্থকরা দাবি করেছেন, এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা।
“৭ হাজার সিএনজি চালকের সমর্থন” দাবি
দেবব্রত দাস দুকুলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ময়মনসিংহ জেলায় প্রায় সাত হাজার সিএনজি চালকের সমর্থন তার প্রতি রয়েছে। সমর্থকদের ভাষ্য, জেলার বিশাল সংখ্যক সিএনজি চালক ও সাধারণ মানুষের আস্থাই তার জনপ্রিয়তার প্রমাণ। অথচ মাত্র শতাধিক ব্যক্তির একটি চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
তাদের দাবি, জনপ্রিয়তা ও নেতৃত্বে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যাতে তার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।
অতীত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে আনা সমর্থকরা আরও জানান, বিগত সরকারের আমলে দেবব্রত দাস দুকুল একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিলেন। তবে নানা চাপ, হুমকি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সরে যাননি। তাদের অভিযোগ, সেই অতীত ঘটনাগুলোকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে বর্তমানে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে।
একজন সিএনজি চালক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,“দাদা সবসময় চালকদের পাশে থেকেছেন। এখন তার জনপ্রিয়তা দেখে অনেকে সহ্য করতে পারছে না।”
অপপ্রচারের নিন্দা ও সতর্ক আহ্বান দেবব্রত দাস দুকুলের সমর্থক মহল এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রকৃত তথ্য যাচাই করে অবস্থান নেওয়ার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।
তাদের বক্তব্য, একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠী মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে। তবে জেলার বৃহৎ অংশের সিএনজি চালক ও সাধারণ জনগণের সমর্থন তাদের আন্দোলন ও অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।
উত্তেজনা বাড়ছে, সমাধান কী?
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সিএনজি চাঁদা ইস্যুতে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তবে তা প্রশাসনিকভাবে তদন্ত হওয়া উচিত। রাজনৈতিক অপপ্রচার বা ব্যক্তিগত আক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
ময়মনসিংহে সিএনজি চালক সমাজের এই বিতর্ক এখন কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও সাধারণ মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও স্বচ্ছ তদন্তই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।






















