ঢাকা, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ই-পেপার

সূত্রাপুর থানার ওসির বদলি চেয়ে ইসিতে ইশরাকের আবেদন

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৩৩ বার পড়া হয়েছে

‘পক্ষপাতমূলক আচরণের’ অভিযোগ তুলে রাজধানীর সূত্রাপুর থানার ওসি মশিউর রহমানকে সরিয়ে দিতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন। একই সঙ্গে সূত্রাপুর এলাকার কসমোপলিটন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন।

নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে দেখা করে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এই আবেদন করেছেন বলে জানা যায়।

ইসি সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ ইশরাক হোসেন জানান, “আজকে নির্বাচন কমিশনে আমরা এসেছি একটা অভিযোগ দায়ের করার জন্যে এবং আমরা সেটি মৌখিকভাবে জানিয়েছি। আমাদেরকে জানানো হয়েছে যে এই ব্যাপারে ওনারা তাদের ওনাদের যে একটা আইনি সেল রয়েছে বা এই ধরনের কমপ্লেইন নিষ্পত্তি করার জন্য যে বডিটা রয়েছে, তাদের কাছে ওনারা এটা ফরওয়ার্ড করেছেন এবং উনারা ব্যবস্থা নেবেন ও খতিয়ে দেখছেন বলে জানিয়েছেন।”

সূত্রাপুর, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া ও কোতোয়ালি থানার আংশিক নিয়ে ঢাকা-৬ আসন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে।

তার আগে গেল ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে কসমোপলিটন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র থেকে ১৫২টি ক্রিকেট স্টাম্প উদ্ধারের বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপির প্রার্থী বলেন, সেই স্কুলের মালিকানায় রয়েছে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী এবং সেখানে জকসুর সম্ভবত একটা ক্লাব রয়েছে। যতটুকু আমি জানতে পেরেছি ক্লাব হিসেবে অভিহিত করা হত, সেই ক্লাবের দরজা ভেঙে তারা এই মোটা স্টাম্প বা লাঠিগুলো উদ্ধার করে। ওই কেন্দ্রে লাঠিসোটা মজুদ করার অভিযোগ পেয়ে তা সূত্রাপুর থানা পুলিশকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন ইশরাক।

ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে শুধুমাত্র স্কুলের মালিক সতর্ক দেওয়ার অভিযোগ করে তিনি বলেন, সতর্ক করে দেওয়ার চার ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পর আমরা জানতে পারি যে এরকম পরিস্থিতি, সেখানে দুটি পিকাপ ট্রাক আসে পিকাপ ট্রাকে এসে বড় বড় বস্তায় করে বিপুল সংখ্যক লাঠিসোটা সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিএনপি প্রার্থী বলেন, সেখানে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে বলে আগে থেকেই অভিযোগ ছিল এবং তা শুনে সেখানে স্থানীয় লোকজন অবস্থান নেন। পরে পুলিশে কোতোয়ালি জোনের এসি ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে পুলিশ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ-জকসুর ক্লাব থেকে ক্রিকেট স্টাম্পগুলো উদ্ধার করে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সূত্রাপুর থানার ওসির বদলি চেয়ে ইসিতে ইশরাকের আবেদন

আপডেট সময়ঃ ০৪:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘পক্ষপাতমূলক আচরণের’ অভিযোগ তুলে রাজধানীর সূত্রাপুর থানার ওসি মশিউর রহমানকে সরিয়ে দিতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন। একই সঙ্গে সূত্রাপুর এলাকার কসমোপলিটন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন।

নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে দেখা করে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এই আবেদন করেছেন বলে জানা যায়।

ইসি সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ ইশরাক হোসেন জানান, “আজকে নির্বাচন কমিশনে আমরা এসেছি একটা অভিযোগ দায়ের করার জন্যে এবং আমরা সেটি মৌখিকভাবে জানিয়েছি। আমাদেরকে জানানো হয়েছে যে এই ব্যাপারে ওনারা তাদের ওনাদের যে একটা আইনি সেল রয়েছে বা এই ধরনের কমপ্লেইন নিষ্পত্তি করার জন্য যে বডিটা রয়েছে, তাদের কাছে ওনারা এটা ফরওয়ার্ড করেছেন এবং উনারা ব্যবস্থা নেবেন ও খতিয়ে দেখছেন বলে জানিয়েছেন।”

সূত্রাপুর, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া ও কোতোয়ালি থানার আংশিক নিয়ে ঢাকা-৬ আসন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে।

তার আগে গেল ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে কসমোপলিটন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র থেকে ১৫২টি ক্রিকেট স্টাম্প উদ্ধারের বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপির প্রার্থী বলেন, সেই স্কুলের মালিকানায় রয়েছে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী এবং সেখানে জকসুর সম্ভবত একটা ক্লাব রয়েছে। যতটুকু আমি জানতে পেরেছি ক্লাব হিসেবে অভিহিত করা হত, সেই ক্লাবের দরজা ভেঙে তারা এই মোটা স্টাম্প বা লাঠিগুলো উদ্ধার করে। ওই কেন্দ্রে লাঠিসোটা মজুদ করার অভিযোগ পেয়ে তা সূত্রাপুর থানা পুলিশকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন ইশরাক।

ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে শুধুমাত্র স্কুলের মালিক সতর্ক দেওয়ার অভিযোগ করে তিনি বলেন, সতর্ক করে দেওয়ার চার ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পর আমরা জানতে পারি যে এরকম পরিস্থিতি, সেখানে দুটি পিকাপ ট্রাক আসে পিকাপ ট্রাকে এসে বড় বড় বস্তায় করে বিপুল সংখ্যক লাঠিসোটা সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিএনপি প্রার্থী বলেন, সেখানে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে বলে আগে থেকেই অভিযোগ ছিল এবং তা শুনে সেখানে স্থানীয় লোকজন অবস্থান নেন। পরে পুলিশে কোতোয়ালি জোনের এসি ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে পুলিশ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ-জকসুর ক্লাব থেকে ক্রিকেট স্টাম্পগুলো উদ্ধার করে।