ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ই-পেপার

১৭ ফেব্রুয়ারি বিরল সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ১০:১০:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১২ বার পড়া হয়েছে

ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখে আকাশে ঘটতে যাচ্ছে একটি বিরল মহাজাগতিক ঘটনা—বলয়াকার সূর্যগ্রহণ। অনেকেই একে বলেন ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগুনের বলয়। তবে দুঃখের বিষয় হলো, এই সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না। এমনকি প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও এটি দেখা সম্ভব হবে না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ভাষায়, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ তখনই ঘটে, যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে আসে। কিন্তু সে সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকে। ফলে চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢাকতে পারে না। সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল একটি বলয় দেখা যায়। এই দৃশ্যকেই বলা হয় ‘রিং অব ফায়ার’।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, এই বলয়াকার সূর্যগ্রহণ হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। গ্রহণ শুরু হবে আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী সকাল ৭টা ১ মিনিটে (ইউটিসি)। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী তা শুরু হবে দুপুর ১টা ১ মিনিটের দিকে। বলয়াকার অংশটি সর্বোচ্চ প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হতে পারে। তবে এই দৃশ্য দেখা যাবে পৃথিবীর খুব সীমিত কিছু এলাকায়।

এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে মূলত অ্যান্টার্কটিকার কিছু দুর্গম এলাকায়। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি দেশ এবং দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশে আংশিকভাবে গ্রহণ দেখা যেতে পারে। ভারত, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এই গ্রহণের বাইরে থাকবে। তাই এ অঞ্চলের মানুষ সরাসরি এই দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন না।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সূর্যগ্রহণ দেখার সময় চোখের নিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি। যারা গ্রহণ দেখতে পাবেন, তাদের অবশ্যই অনুমোদিত (আইএসও ১২৩১২-২ মানসম্পন্ন) সূর্যগ্রহণ চশমা ব্যবহার করতে হবে। খালি চোখে বা সাধারণ চশমা পরে সূর্যের দিকে তাকানো খুবই ক্ষতিকর (চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে)।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

১৭ ফেব্রুয়ারি বিরল সূর্যগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে

আপডেট সময়ঃ ১০:১০:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখে আকাশে ঘটতে যাচ্ছে একটি বিরল মহাজাগতিক ঘটনা—বলয়াকার সূর্যগ্রহণ। অনেকেই একে বলেন ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগুনের বলয়। তবে দুঃখের বিষয় হলো, এই সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না। এমনকি প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও এটি দেখা সম্ভব হবে না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ভাষায়, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ তখনই ঘটে, যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে আসে। কিন্তু সে সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকে। ফলে চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢাকতে পারে না। সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল একটি বলয় দেখা যায়। এই দৃশ্যকেই বলা হয় ‘রিং অব ফায়ার’।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, এই বলয়াকার সূর্যগ্রহণ হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। গ্রহণ শুরু হবে আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী সকাল ৭টা ১ মিনিটে (ইউটিসি)। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী তা শুরু হবে দুপুর ১টা ১ মিনিটের দিকে। বলয়াকার অংশটি সর্বোচ্চ প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হতে পারে। তবে এই দৃশ্য দেখা যাবে পৃথিবীর খুব সীমিত কিছু এলাকায়।

এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে মূলত অ্যান্টার্কটিকার কিছু দুর্গম এলাকায়। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি দেশ এবং দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশে আংশিকভাবে গ্রহণ দেখা যেতে পারে। ভারত, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এই গ্রহণের বাইরে থাকবে। তাই এ অঞ্চলের মানুষ সরাসরি এই দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন না।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সূর্যগ্রহণ দেখার সময় চোখের নিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি। যারা গ্রহণ দেখতে পাবেন, তাদের অবশ্যই অনুমোদিত (আইএসও ১২৩১২-২ মানসম্পন্ন) সূর্যগ্রহণ চশমা ব্যবহার করতে হবে। খালি চোখে বা সাধারণ চশমা পরে সূর্যের দিকে তাকানো খুবই ক্ষতিকর (চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে)।