• সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
শ্রমিকদের জন্য কর্মবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার ‘মাদক নিয়ে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স’ আইনগত সহায়তা দরিদ্র-অসহায় নাগরিকের অধিকার: আইনমন্ত্রী রোগীর প্রতি চিকিৎসকের অবহেলা সহ্য করা হবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী নৌকা-জাল মেরামতে ব্যস্ত, নদীতে নামার অপেক্ষায় জেলেরা বান্দরবানে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত হয়েছে সাংবাদিকবৃন্দদের সাথে মতবিনিময় উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুছ থাইল্যান্ডের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কৃত্রিম বৃষ্টিতে শিশু-কিশোরদের সঙ্গে ভিজলেন মেয়র আতিক বিএনপির ইতিহাসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কোনো নজির নেই: কাদের

ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

Reporter Name / ৩৮৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশে ধর্ম নিয়ে কেউ যেন বাড়াবাড়ি না করে সেই আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ, এখানে সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ছোট ভাই শেখ রাসেলে ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান। আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এত রক্তক্ষয়, এত ঘটনা বাংলাদেশে ঘটে গেছে আর যেন এমন ঘটনা না ঘটে। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ, এখানে সব ধর্মের মানুষ তার ধর্ম পালন করবে স্বাধীনভাবে। আমাদের সংবিধানেও সেই নির্দেশনা দেওয়া আছে। আমাদের ইসলাম ধর্মও সেই কথাই বলেছে। নবী করিমও (সা.) বলেছেন, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। কাজেই সেই বাড়াবাড়ি যেন কেউ না করে সেটাও আমরা চাই এবং এদেশে সব মানুষ যেন শান্তিতে বসবাস করতে পারে সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আমি জানি, আমাদের ভৌগলিক সীমারেখায় ছোট দেশ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে অনেক বড়। কিন্তু সেই দেশেই আমি চাই প্রত্যেকটা মানুষের জীবন যেন সুন্দর হয়, উন্নত হয়। প্রত্যেকটা মানুষ যেন তার অন্ন, বস্ত্র পায়, উন্নত জীবন পায় যেটা জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো, তা যেন আমরা পূরণ করতে পারি, সেটাই আমার লক্ষ্য। শিশুর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শিশু অধিকার আইন তো জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে করে দিয়ে গেছেন। প্রাথমিক শিক্ষাটাকে অবৈতনিক, বাধ্যতামূলক করে দিয়ে গেছেন। আমার বাবার আদর্শ নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি যেন এদেশে শিশুরা যেনো এই নির্মমতার শিকার আর না হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো এখনও আমরা দেখছি সেই নির্মমতা, এখনও মাঝে মধ্যে দেখি এবং পরবর্তীতেও আমরা দেখেছি, এটা যেনো আর না হয়। আমরা দেখেছি আগুন দিয়ে কিভাবে পুড়িয়ে হত্যা করা হচ্ছে, কিভাবে জ্যান্ত মানুষগুলোকে, শিশুকে পর্যন্ত। এই খালেদা জিয়া বিরোধী দলের থাকতে অগ্নিসন্ত্রাস করে চলন্ত বাসে আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। বাপ দেখেছে চোখের সামনে সন্তান আগুনে পুড়ে মারা যাচ্ছে। সেই রকম নিষ্ঠুর হত্যাকা- এই বাংলাদেশে ঘটেছে, এটাই হচ্ছে দুর্ভাগ্য বাংলাদেশের। আমি এটাই চাইবো, এখানে মানবতার প্রশ্ন যারা তোলে তারা যেনো এই ঘটনাগুলো ভালোভাবে দেখে যে বাংলাদেশে কী ঘটতো। কিন্তু আমরা সরকারে আসার পর থেকে আমাদের প্রচেষ্টা যে কোনো শিশু রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে থাকবে না, তাদের জন্য একটা ঠিকানা থাকবে। তারা যেনো একটু ভালোভাবে বসবাস করতে পারে। আমাদের একটাই লক্ষ্য, একটা শিশু তার যে জ্ঞান, মেধা সেটা যেনো বিকশিত হতে পারে, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে পারে সেই চেষ্টাই আমি করে যাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category