১১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ | ই-পেপার

জামালপুর কারাগারে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ৬ বন্দি

জামালপুরrপ্রতিনিধি:
জামালপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছয় বন্দি নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরও ১৯ জন। গতকাল বৃহস্পতিবার কারাগারের অভ্যন্তরে সংঘর্ষ হয়। শুক্রবার (৯ আগস্ট) এতথ্য নিশ্চিত করেছেন জামালপুর জেলা কারাগারের জেলার আবু ফাত্তাহ।

সংঘর্ষে নিতহরা হলেন, জামালপুর সদর থানার ফাহিম মিয়ার ছেলে আরমান মিয়া, মাসুদ মিয়ার ছেলে শ্যামল, নুরুল ইসলামের ছেলে জসিম মিয়া, রায়হান, ফজলে রাব্বি বাবু ও রাহাত।

জেলা কারাগারের জেলার আবু ফাতাহ জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার আসামিরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়। পরে দুই পক্ষ মারামারি শুরু করে। এক পর্যায়ে তাদের একটি গ্রুপ প্রথম ফটক ভেঙে কারাগার থেকে বের হয়ে যায়। এসময় দ্বিতীয় ফটক খুলে দেওয়ার জন্য জেলার আবু ফাতাহ ও করারক্ষীদের ওপর হামলা করেন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে কারারক্ষীদের পাশাপাশি অন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কারাগারে অবস্থান নেন।

তিনি আরও জানান, ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনা এখন পর্যন্ত ছয়জন বন্দির মৃত্যু হয়েছে। ১৯ জন আহত হয়েছেন।

ট্যাগস :

ভাগাড়সহ কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না: পরিবেশ উপদেষ্টা

জামালপুর কারাগারে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ৬ বন্দি

আপডেট সময়ঃ ০৬:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অগাস্ট ২০২৪

জামালপুরrপ্রতিনিধি:
জামালপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছয় বন্দি নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরও ১৯ জন। গতকাল বৃহস্পতিবার কারাগারের অভ্যন্তরে সংঘর্ষ হয়। শুক্রবার (৯ আগস্ট) এতথ্য নিশ্চিত করেছেন জামালপুর জেলা কারাগারের জেলার আবু ফাত্তাহ।

সংঘর্ষে নিতহরা হলেন, জামালপুর সদর থানার ফাহিম মিয়ার ছেলে আরমান মিয়া, মাসুদ মিয়ার ছেলে শ্যামল, নুরুল ইসলামের ছেলে জসিম মিয়া, রায়হান, ফজলে রাব্বি বাবু ও রাহাত।

জেলা কারাগারের জেলার আবু ফাতাহ জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার আসামিরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়। পরে দুই পক্ষ মারামারি শুরু করে। এক পর্যায়ে তাদের একটি গ্রুপ প্রথম ফটক ভেঙে কারাগার থেকে বের হয়ে যায়। এসময় দ্বিতীয় ফটক খুলে দেওয়ার জন্য জেলার আবু ফাতাহ ও করারক্ষীদের ওপর হামলা করেন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে কারারক্ষীদের পাশাপাশি অন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কারাগারে অবস্থান নেন।

তিনি আরও জানান, ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনা এখন পর্যন্ত ছয়জন বন্দির মৃত্যু হয়েছে। ১৯ জন আহত হয়েছেন।