জাহাঙ্গীর কবির নানক ও শিবলী সাদিকের ব্যাংক হিসাব জব্দ

- আপডেট সময়ঃ ১০:২৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪
- / ১২২ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং দিনাজপুর-৬ (হাকিমপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের স্ত্রী-সন্তানদের ব্যক্তিগত এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেন স্থগিত রাখা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়ে অ্যাকাউন্ট জব্দ করতে বলেছে। হিসাব জব্দ করাদের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সব লেনদেন বন্ধ থাকবে। আগামী ৩০ দিন এসব হিসাবে কেউ কোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবেন না। লেনদেন স্থগিতের নির্দেশটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রযোজ্য হবে বলে বিএফআইইউর চিঠিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া চিঠিতে উল্লিখিত ব্যক্তিদের স্ত্রী-সন্তানদের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেওয়া হয়েছে। বিএফআইইউর নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো হিসাব স্থগিত করা হলে হিসাব সংশ্লিষ্ট তথ্য বা দলিল, যেমন-হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি ও লেনদেন বিবরণী ইত্যাদি চিঠি দেওয়ার তারিখ থেকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের কাছে পাঠাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে।
বিপ্লব বড়ুয়ার ব্যাংক হিসাব স্থগিত: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া ও তার ভাই বিদ্যুৎ বড়ুয়াসহ চারজনের ব্যাংক হিসাব স্থগিত করা হয়েছে। এই তালিকায় থাকা অন্য দুজন হলেন বিদ্যুৎ বড়ুয়ার স্ত্রী অগ্নি বড়ুয়া ও এইচ এম জামাল উদ্দিন। আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) গত বৃহস্পতিবার ব্যাংক হিসাব স্থগিতের এ নির্দেশনা দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠিয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উল্লিখিত ব্যক্তি ও তাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো হিসাব পরিচালিত হয়ে থাকলে সেই হিসাবের লেনদেন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২৩ (১) (গ) ধারার আওতায় ৩০ দিনের জন্য স্থগিত রাখা এবং তাদের নামে কোনো লকার থাকলে তার ব্যবহার ৩০ দিনের জন্য বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হলো। বিপ্লব বড়ুয়াসহ চারজনের ব্যাংক হিসাব স্থগিতের চিঠিতে তার মা-বাবার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া বাকি তিনজনের ক্ষেত্রে মা-বাবা ও স্বামীর নামের পাশাপাশি তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও জন্ম তারিখও উল্লেখ করা হয়েছে। লেনদেন স্থগিতের পাশাপাশি সব ব্যাংক হিসাবের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা দলিল, যেমন হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি ও লেনদেন বিবরণী প্রভৃতি তথ্য বিএফআইইউর কাছে পাঠাতে হবে। বিএফআইইউ বলেছে, আগামী ৩০ দিন এসব ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে কোনো লেনদেন করা যাবে না।