ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

কার্গো ভিলেজে আগুন পোশাক ‎শিল্পের জন্য বড় ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:৫২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৪২১ বার পড়া হয়েছে

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পোশাক তৈরির মূল্যবান কাঁচামাল ও গুরুত্বপূর্ণ স্যাম্পল (নমুনা পণ্য) ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছেন তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সিনিয়র সহসভাপতি এনামুল হক খান বাবলু।

রবিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে শাহজালাল বিমানবন্দরে পুড়ে যাওয়া আমদানি কার্গো ভিলেজ পরিদর্শন শেষে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

গতকালকের আগুনে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন জানিয়ে এনামুল হক খান বাবলু বলেন, দেশের রপ্তানি বাণিজ্য, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প, বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। সাধারণত উচ্চমূল্যের ও অতি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যসম্ভার আকাশপথে আনা হয়। এই ধরনের বহু গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আগুনে পুড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ধ্বংস হওয়া মালামালের মধ্যে পোশাক তৈরির কাঁচামাল ও অসংখ্য স্যাম্পল ছিল। এসব স্যাম্পলই নতুন রপ্তানি অর্ডারের পথ উন্মুক্ত করে। সেগুলো পুড়ে যাওয়া মানে নতুন বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ হারানো।

আমরা এখন ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণের চেষ্টা করছি। এজন্য পোশাক কারখানাগুলোর উদ্যোক্তাদের নির্দিষ্ট ফরমে তথ্য পাঠাতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
বিজিএমইএর এই নেতা বলেন, আমাদের সদস্যদের প্রায় সবাই আকাশপথে পণ্য সংগ্রহ করেন। এমন উদ্যোক্তার সংখ্যা ২০০ থেকে ২৫০ জনের মতো।

এই বিপুল ক্ষতির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ করছি, যেন সার্বিক সহযোগিতা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একইসঙ্গে রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সহায়তাও দিতে হবে। এখন শুষ্ক মৌসুম চলছে— তাই উদ্যোক্তাদের আগুনের ঝুঁকি সম্পর্কে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সের ভেতরে থাকা প্রায় সব পণ্যই পুড়ে গেছে। ভেতরে গিয়ে আমরা বুঝতে পারলাম ঘটনাটি কতটা ভয়াবহ।

এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে অন্তত ১৫ দিন থেকে ১ মাস সময় লাগতে পারে।
বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেন, বাণিজ্য উপদেষ্টা জানিয়েছেন, যেহেতু বর্তমানে আমদানি কার্গো কমপ্লেক্স ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, তাই এখন থেকে নতুন আমদানি পণ্য নবনির্মিত থার্ড টার্মিনালে রাখা হবে। নতুন আমদানিকৃত পণ্য দ্রুত ছাড় করার জন্যও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। সাধারণত কোনো পণ্য ছাড় করতে ৭২ ঘণ্টা সময় লাগে— এখন থেকে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

কার্গো ভিলেজে আগুন পোশাক ‎শিল্পের জন্য বড় ক্ষতি

আপডেট সময়ঃ ০৪:৫২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পোশাক তৈরির মূল্যবান কাঁচামাল ও গুরুত্বপূর্ণ স্যাম্পল (নমুনা পণ্য) ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছেন তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সিনিয়র সহসভাপতি এনামুল হক খান বাবলু।

রবিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে শাহজালাল বিমানবন্দরে পুড়ে যাওয়া আমদানি কার্গো ভিলেজ পরিদর্শন শেষে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

গতকালকের আগুনে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন জানিয়ে এনামুল হক খান বাবলু বলেন, দেশের রপ্তানি বাণিজ্য, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প, বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। সাধারণত উচ্চমূল্যের ও অতি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যসম্ভার আকাশপথে আনা হয়। এই ধরনের বহু গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আগুনে পুড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ধ্বংস হওয়া মালামালের মধ্যে পোশাক তৈরির কাঁচামাল ও অসংখ্য স্যাম্পল ছিল। এসব স্যাম্পলই নতুন রপ্তানি অর্ডারের পথ উন্মুক্ত করে। সেগুলো পুড়ে যাওয়া মানে নতুন বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ হারানো।

আমরা এখন ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণের চেষ্টা করছি। এজন্য পোশাক কারখানাগুলোর উদ্যোক্তাদের নির্দিষ্ট ফরমে তথ্য পাঠাতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
বিজিএমইএর এই নেতা বলেন, আমাদের সদস্যদের প্রায় সবাই আকাশপথে পণ্য সংগ্রহ করেন। এমন উদ্যোক্তার সংখ্যা ২০০ থেকে ২৫০ জনের মতো।

এই বিপুল ক্ষতির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ করছি, যেন সার্বিক সহযোগিতা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একইসঙ্গে রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সহায়তাও দিতে হবে। এখন শুষ্ক মৌসুম চলছে— তাই উদ্যোক্তাদের আগুনের ঝুঁকি সম্পর্কে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সের ভেতরে থাকা প্রায় সব পণ্যই পুড়ে গেছে। ভেতরে গিয়ে আমরা বুঝতে পারলাম ঘটনাটি কতটা ভয়াবহ।

এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে অন্তত ১৫ দিন থেকে ১ মাস সময় লাগতে পারে।
বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেন, বাণিজ্য উপদেষ্টা জানিয়েছেন, যেহেতু বর্তমানে আমদানি কার্গো কমপ্লেক্স ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, তাই এখন থেকে নতুন আমদানি পণ্য নবনির্মিত থার্ড টার্মিনালে রাখা হবে। নতুন আমদানিকৃত পণ্য দ্রুত ছাড় করার জন্যও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। সাধারণত কোনো পণ্য ছাড় করতে ৭২ ঘণ্টা সময় লাগে— এখন থেকে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে।