ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | ই-পেপার

সক্ষমতা অর্জন করে শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার আহ্বান সেনাপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • / ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের হালিশহর সেনানিবাসের আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (এসিএন্ডএস) অনুষ্ঠিত হয়েছে আর্টিলারির ৪৪তম এবং আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোরের প্রথম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন। এ সম্মেলনে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সেনা সদস্যদের প্রতি একবিংশ শতাব্দীর কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) আইএসপিআর থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধানকে স্বাগত জানান আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, চট্টগ্রাম এরিয়ার কমান্ডার এবং এসিএন্ডএসর কমান্ড্যান্টসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাবাহিনী প্রধান রেজিমেন্ট অব আর্টিলারি ও আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করেন এবং দেশমাতৃকার সেবায় তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির সাথে সঙ্গতি রেখে সেনাবাহিনীর সকল সদস্যকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।’

এছাড়া, সেনাপ্রধান এসময় আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোর ও রেজিমেন্ট অব আর্টিলারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে কোরগুলোর প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

এ সম্মেলনে অন্যান্য উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন- আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সিলেট এরিয়ার জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, চট্টগ্রাম এরিয়ার কমান্ডার, মাস্টার জেনারেল অব দি অর্ডন্যান্সসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব আর্টিলারি ও এয়ার ডিফেন্স ব্রিগেডের কমান্ডার, আর্টিলারি ও এয়ার ডিফেন্স এজেন্টদের অধিনায়করা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া, গত ২৯ অক্টোবর এসিএন্ডএস এ রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির ১০ম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে মেজর জেনারেল মো. নূরুল আনোয়ার এবং আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোরের ১ম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে মেজর জেনারেল মো. আবু বকর সিদ্দিক খান দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

​জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের-এর বাসভবনে কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্র সমাজ’ ​ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের এমপি-এর রাজধানীর উত্তরার বাসভবনে একদল দুষ্কৃতকারী কর্তৃক হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। ​ কতিপয় দুষ্কৃতকারী ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার বাসভবনে এ ধরনের হীন ও কাপুরুষোচিত হামলা দেশের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিশৃঙ্খলার ওপর এক চরম আঘাত। এটি স্পষ্টতই রাজনীতিকে সহিংস করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ​জাতীয় ছাত্র সমাজ স্পষ্টভাবে জানাতে চান, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যাবে না। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জিএম কাদের-এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক সাক্ষাৎকারে ​দাবি ও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন : ১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এই হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকল সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ​যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হয়, তবে জাতীয় ছাত্র সমাজ দেশের ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

৬

সক্ষমতা অর্জন করে শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার আহ্বান সেনাপ্রধান

আপডেট সময়ঃ ০৪:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রামের হালিশহর সেনানিবাসের আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (এসিএন্ডএস) অনুষ্ঠিত হয়েছে আর্টিলারির ৪৪তম এবং আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোরের প্রথম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন। এ সম্মেলনে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সেনা সদস্যদের প্রতি একবিংশ শতাব্দীর কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) আইএসপিআর থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধানকে স্বাগত জানান আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, চট্টগ্রাম এরিয়ার কমান্ডার এবং এসিএন্ডএসর কমান্ড্যান্টসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাবাহিনী প্রধান রেজিমেন্ট অব আর্টিলারি ও আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করেন এবং দেশমাতৃকার সেবায় তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির সাথে সঙ্গতি রেখে সেনাবাহিনীর সকল সদস্যকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।’

এছাড়া, সেনাপ্রধান এসময় আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোর ও রেজিমেন্ট অব আর্টিলারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে কোরগুলোর প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

এ সম্মেলনে অন্যান্য উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন- আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সিলেট এরিয়ার জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, চট্টগ্রাম এরিয়ার কমান্ডার, মাস্টার জেনারেল অব দি অর্ডন্যান্সসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব আর্টিলারি ও এয়ার ডিফেন্স ব্রিগেডের কমান্ডার, আর্টিলারি ও এয়ার ডিফেন্স এজেন্টদের অধিনায়করা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া, গত ২৯ অক্টোবর এসিএন্ডএস এ রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির ১০ম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে মেজর জেনারেল মো. নূরুল আনোয়ার এবং আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোরের ১ম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে মেজর জেনারেল মো. আবু বকর সিদ্দিক খান দায়িত্ব গ্রহণ করেন।