ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | ই-পেপার

পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির আতা

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:২০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৩ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সাঘাটায় জাতীয় পার্টির অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুইদিন আগে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন তিনি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাঘাটা উপজেলার ডাকবাংলা বাজারের পাশে আয়োজিত যোগদান সভায় আতা নেতাকর্মী নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। এর ফলে জাতীয় পার্টির (জাপা) দীর্ঘদিনের সেই শক্ত ঘাঁটিতে বড়সড় ফাটল দেখা দিল। স্থানীয় রাজনীতির সমীকরণে এ ঘটনাকে ‘বড় চমক’ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা।

আতাউর রহমান সরকারের সঙ্গে সাঘাটা উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মমিনুল হক নয়নসহ দলটির প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী এদিন বিএনপিতে যোগদান করেন। তিনি একাধারে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এবং সাঘাটা উপজেলা জাপার বর্তমান সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।

সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও ৬নং ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ তুলিপের সভাপতিত্বে যোগদান সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ফারুক আলম সরকার। তিনি নবাগতদের ফুলের তোড়া দিয়ে দলে বরণ করে নেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল নবী টিটুল এবং শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল কবির রাঙ্গা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য কামরুজ্জামান সোহাগসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিএনপিতে সদ্য যোগদানকৃত জাতীয় পার্টির নেতা আতাউর রহমান আতা জানান, জাতীয় পার্টি থেকে তাদের মূল্যায়ন করা হয় না। জাতীয় পার্টিকে মানুষ সার্কাস পার্টি হিসেবে দেখছেন। এছাড়া স্বৈরাচারের দোসর, সকাল-বিকেল সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়, যা সাধারণ মানুষের কাছে হাস্যরসে পরিণত হয়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। বহিরাগত প্রার্থী জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী গাইবান্ধা-৩ সাঘাটা-ফুলছড়ি আসনে প্রার্থী হওয়ায় তিনি ক্ষুব্দ ছিলেন। তাছাড়া সারা দেশে বিএনপির গণজোয়ারে জাতীয় পার্টি ত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করেছেন তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির আতা

আপডেট সময়ঃ ০৯:২০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটায় জাতীয় পার্টির অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুইদিন আগে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন তিনি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাঘাটা উপজেলার ডাকবাংলা বাজারের পাশে আয়োজিত যোগদান সভায় আতা নেতাকর্মী নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। এর ফলে জাতীয় পার্টির (জাপা) দীর্ঘদিনের সেই শক্ত ঘাঁটিতে বড়সড় ফাটল দেখা দিল। স্থানীয় রাজনীতির সমীকরণে এ ঘটনাকে ‘বড় চমক’ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা।

আতাউর রহমান সরকারের সঙ্গে সাঘাটা উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মমিনুল হক নয়নসহ দলটির প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী এদিন বিএনপিতে যোগদান করেন। তিনি একাধারে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এবং সাঘাটা উপজেলা জাপার বর্তমান সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।

সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও ৬নং ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ তুলিপের সভাপতিত্বে যোগদান সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ফারুক আলম সরকার। তিনি নবাগতদের ফুলের তোড়া দিয়ে দলে বরণ করে নেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল নবী টিটুল এবং শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল কবির রাঙ্গা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য কামরুজ্জামান সোহাগসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিএনপিতে সদ্য যোগদানকৃত জাতীয় পার্টির নেতা আতাউর রহমান আতা জানান, জাতীয় পার্টি থেকে তাদের মূল্যায়ন করা হয় না। জাতীয় পার্টিকে মানুষ সার্কাস পার্টি হিসেবে দেখছেন। এছাড়া স্বৈরাচারের দোসর, সকাল-বিকেল সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়, যা সাধারণ মানুষের কাছে হাস্যরসে পরিণত হয়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। বহিরাগত প্রার্থী জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী গাইবান্ধা-৩ সাঘাটা-ফুলছড়ি আসনে প্রার্থী হওয়ায় তিনি ক্ষুব্দ ছিলেন। তাছাড়া সারা দেশে বিএনপির গণজোয়ারে জাতীয় পার্টি ত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করেছেন তিনি।