০৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫ | ই-পেপার

ভুয়া প্রতিষ্ঠানে ঋণ দিয়ে অর্থ লুটতেন এসবিএসি’র সাবেক চেয়ারম্যান: দুদক

  • দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৫৪৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অস্তিত্ববিহীন প্রতিষ্ঠানে ঝণ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ তদন্তে ব্যাংকটির সাবেক এমডিসহ ৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের নেতৃত্বে একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক এ তথ্য জানিয়েছেন। এদিন ব্যাংকটির ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি কর্মকর্তা (এমটিও) তপু কুমার সাহা, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিদ্যুৎ কুমার মন্ডল, অপারেশন ম্যানেজার মোহা. মজুরুল আলম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কর্মকর্তা খালেদ মোশারেফ, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. জিয়াউল লতিফ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো মামুনুর রশীদ মোল্লা, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. রফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। চেয়ারম্যান থাকাবস্থায় এসএম আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ তুলে তা লোপাট করার অভিযোগ উঠে। দুদকের অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত ওই ব্যাংক থেকে ৩০ কোটি টাকা সরানোর তথ্য পাওয়া গেছে। এস এম আমজাদ হোসেনের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরুর পর বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠায় দুদক। তাদের দেওয়া প্রতিবেদন যাচাই-বাছাইয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধানে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে কিছু না জানালেও দুদক সচিব ড.মু আনোয়ার হোসেন হাওলাদার জানান, এরইমধ্যে ব্যাংক থেকে রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে ও বিএফআইইউয়ের প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, খুলনা বিল্ডার্স লিমিটেডের নামে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে বিএফআইইউ। অথচ এ নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই। বিএফআইইউয়ের তদন্ত টিম সরেজমিনে গিয়ে এ ঠিকানায় কোনো প্রতিষ্ঠান খুঁজে পায়নি। অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় এস এম আমজাদ হোসেন নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংক ঋণ অনুমোদন করান এবং সেসব অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগাড়সহ কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না: পরিবেশ উপদেষ্টা

ভুয়া প্রতিষ্ঠানে ঋণ দিয়ে অর্থ লুটতেন এসবিএসি’র সাবেক চেয়ারম্যান: দুদক

আপডেট সময়ঃ ০৯:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অস্তিত্ববিহীন প্রতিষ্ঠানে ঝণ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ তদন্তে ব্যাংকটির সাবেক এমডিসহ ৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের নেতৃত্বে একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক এ তথ্য জানিয়েছেন। এদিন ব্যাংকটির ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি কর্মকর্তা (এমটিও) তপু কুমার সাহা, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিদ্যুৎ কুমার মন্ডল, অপারেশন ম্যানেজার মোহা. মজুরুল আলম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কর্মকর্তা খালেদ মোশারেফ, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. জিয়াউল লতিফ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো মামুনুর রশীদ মোল্লা, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. রফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। চেয়ারম্যান থাকাবস্থায় এসএম আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ তুলে তা লোপাট করার অভিযোগ উঠে। দুদকের অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত ওই ব্যাংক থেকে ৩০ কোটি টাকা সরানোর তথ্য পাওয়া গেছে। এস এম আমজাদ হোসেনের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরুর পর বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠায় দুদক। তাদের দেওয়া প্রতিবেদন যাচাই-বাছাইয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধানে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে কিছু না জানালেও দুদক সচিব ড.মু আনোয়ার হোসেন হাওলাদার জানান, এরইমধ্যে ব্যাংক থেকে রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে ও বিএফআইইউয়ের প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, খুলনা বিল্ডার্স লিমিটেডের নামে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে বিএফআইইউ। অথচ এ নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই। বিএফআইইউয়ের তদন্ত টিম সরেজমিনে গিয়ে এ ঠিকানায় কোনো প্রতিষ্ঠান খুঁজে পায়নি। অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় এস এম আমজাদ হোসেন নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংক ঋণ অনুমোদন করান এবং সেসব অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।