এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ (ন্যূনতম ২০০০ টাকা) নির্ধারণ করে সরকার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।
এই ঘোষণার পর শিক্ষকদের চলমান আন্দোলন থেমে গিয়ে তারা পুনরায় শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।
রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সবসময়ই শিক্ষকদের দাবিদাওয়া গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। বাড়িভাড়া ভাতা সংক্রান্ত যেটুকু অগ্রগতি হয়েছে, সেটি তারই একটি প্রতিফলন। বর্তমান বাজেট সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করেছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষক সমাজ আরও বেশি পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু সীমিত আর্থিক সামর্থ্যের মধ্যে থেকে যেটুকু সম্ভব হয়েছে, সেটাই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আশা করি, এখন যারা কর্মবিরতিতে ছিলেন, তারা শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন এবং পাঠদান কার্যক্রম পুনরায় সচল হবে।
চৌধুরী রফিকুল আবরার আরও বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে, সেখানে শিক্ষকেরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন বলে আমরা আশা করি। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে যথেষ্ট আন্তরিকতা দেখিয়েছি, এখন তাদের সহযোগিতা কাম্য।
অন্যদিকে, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, বর্তমান বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) বাড়িভাড়া ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা নভেম্বর ২০২৫ সাল থেকে কার্যকর হবে।
তবে শিক্ষকদের একটি অংশ এ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি। তারা এই হারকে অপ্রতুল দাবি করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনশনসহ বিভিন্ন আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।