আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও সর্বত্র দলীয়করণের প্রতিবাদে গণবিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।
আগামী শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচিতে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার সর্বসাধারণকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।।
আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ভোগান্তির মধ্যে আছেন। রাড্ডার ঘটনায় সরকারকে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখি না। বিশেষত এই বিষয়গুলো যে মন্ত্রণায়ের দায়িত্বে রয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্য সম্পন্ন না করে, সংবিধান সংশোধনে কাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন।
রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আরও বলেন, সংবিধান সংশোধন বাংলাদেশের মানুষের জনমেন্ডেটের বাহিরে গিয়ে করা হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষের ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটের রায়ের মধ্য দিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সংবিধানিক বিষয়গুলো সুরাহা করার জন্য রায় প্রদান করেছে।
কিন্তু সরকার তারা জনগণের রায় উপেক্ষা করে, একতরফা ও একদলীয় সংবিধান সংস্কার কমিটি গঠন করেছে। এনসিপি এই একতরফা ও একদলীয় সংবিধান সংস্কার কমিটি বাতিল করে, জনগণের গণভোটের রায় অনুযায়ী, সংবিধান সংস্কার কমিটি গঠনের আমরা দাবি জানাই।
এনসিপির এই নেতা অভিযোগ করে বলেন, আপনারা জানেন, বাংলাদেশে মানবধিকার পরিস্থিতির কালো অধ্যায় হাসিনা আমলে দেখেছি। সেই কালো অধ্যায়ে থেকে আমরা যাতে উত্তরণ করতে পারি- এই কারণে মানবাধিকারের পক্ষে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের আমলে কিছু অধ্যাদেশ জারি করেছিল। কিন্তু এই সরকার ক্ষমতায় আসার পরে মানবাধিকারের পক্ষের অধ্যাদেশগুলো অত্যন্ত দুর্বল করে, মানবাধিকার পরিস্থিতি লঙ্ঘন করার মতো একটা পরিস্থিতি তারা তৈরি করেছেন।
তিনি আরও বলেন, গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ একটা অধ্যাদেশ ছিল- সেটা দুর্বল করে নিয়ে এসেছেন। সেখানে গুমের ভিক্টিম যারা আছেন, তারাই আবার আইনগত পরিস্থিতি শিকার হতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে।