• শুক্রবার, ০৯ জুন ২০২৩, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
গণমাধ্যমকে নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির প্রযুক্তিতে দক্ষ না হলে অনেক দরজা বন্ধ হয়ে যাবে: স্পিকার সহযোগী দিয়ে নিজ কর্মীকে জখম, চবি ছাত্রলীগ সভাপতির অডিও ফাঁস খালেদার দুই মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি ২৭ জুন ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনে সংসদে বিল উত্থাপন বান্দরবানে নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সুরক্ষায় আলোচনা সভা বিদ্যুৎকেন্দ্রে গিয়ে বিএনপি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে প্রতিহত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলায় ড. ইউনূসের বিচার শুরু বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্তর্জাতিক বিরোধীরা এখনও ষড়যন্ত্র করছে: কৃষিমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে কারাগারগুলোতে শূন্যপদে চিকিৎসক নিয়োগ দিতে নির্দেশ

খনি দুর্নীতি : খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১ ডিসেম্বর

Reporter Name / ২৩২ Time View
Update : রবিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ১ ডিসেম্বর ধার্য করেছেন আদালত। কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নবনির্মিত ২ নম্বর ভবনে অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালত-২-এর বিচারক এ এইচ এম রুহুল ইমরান আজ রোববার আসামিপক্ষের সময় আবেদন মঞ্জুর করে নতুন তারিখ ঠিক করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এদিন মামলাটি অভিযোগ শুনানির দিন ধার্য ছিল। অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানির আবেদন করা হলে বিচারক সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন দিন ধার্য করেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কয়লা উত্তোলন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম এবং রাষ্ট্রের ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা ক্ষতি ও আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল আলম ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় এই মামলা করেন। ওই বছরের ৫ অক্টোবর ১৬ আসামির বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক মো. আবুল কাসেম ফকির অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বড়পুকুরিয়া দুর্নীতি মামলার বিবরণে জানা যায়, ১/১১-এর জরুরি অবস্থার সময়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা করে। শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম। মামলায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে খালেদা জিয়া সভাপতি হয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করেছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছিল। পরে এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি ফরিদ আহাম্মদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার কার্যক্রম তিন মাস স্থগিত করেন। একই সঙ্গে মামলা দায়ের ও কার্যক্রম কেন অবৈধ ও বেআইনি হবে নাÑজানতে চেয়ে সরকারকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়ে রুলও জারি করেন। পরবর্তী সময়ে মামলার স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়। এ মামলায় স্থায়ী জামিনে রয়েছেন খালেদা জিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category