• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
  • ই-পেপার
সর্বশেষ
সর্বোচ্চ আদালতকে পাশ কাটিয়ে সরকার কিছুই করবে না: আইনমন্ত্রী নাইজেরিয়ান চক্রের মাধ্যমে চট্টগ্রামে কোকেন পাচার কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের অপেক্ষা করতে বললেন ব্যারিস্টার সুমন পদ্মা সেতুর সুরক্ষায় নদী শাসনে ব্যয় বাড়ছে পিএসসির উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীরসহ ৬ জনের রিমান্ড শুনানি পিছিয়েছে শৃঙ্খলা ভঙ্গের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার রপ্তানিতে বাংলাদেশ ব্যবহার করছে না রেল ট্রানজিট রাজাকারের পক্ষে স্লোগান সরকারবিরোধী নয়, রাষ্ট্রবিরোধী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়নি বঙ্গোপসাগরের জীববৈচিত্র্য নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র-আলোকচিত্র প্রদর্শনী

নির্বাচন নির্বাচন খেলা আর হবে না: ফখরুল

Reporter Name / ৪৪৯ Time View
Update : শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান ছাড়া এই দানবকে (সরকার) সরানো যাবে না। দানবকে সরাতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ করে গণঅভ্যুত্থান ঘটাতে হবে। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে ‘২০০১ সালের ১ অক্টোবর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ নিরপেক্ষ নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, কথা খুব পরিষ্কার, নির্বাচন নির্বাচন খেলা আর হবে না। নির্বাচন হতে হলে অবশ্যই নির্বাচনকালীন একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। অবশ্যই একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। সরকারের দিন শেষ উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আপনাদের দিন ঘনিয়ে এসেছে। এখনও সময় আছে মানুষের ভাষাগুলো পড়েন, দেয়ালের লিখন পড়েন। মানে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান তৈরি করে সরে যান। জনগণকে তাদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে দিন। তিনি বলেন, এটাই শেষ কথা, আমরা কোনো নির্বাচন মেনে নেব না যদি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার না থাকে এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন না থাকে। তিনি বলেন, মজার ব্যাপার হলো নির্বাচন কমিশনার হুদা সাহেব যিনি নির্বাচন ব্যবস্থাটাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছেন, তিনিও বলছেন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা উচিত। যাওয়ার সময় হয়েছে তো, এখন আর আগের মতো প্রটেকশন পাবে না। ফখরুল আরও বলেন, কয়েকদিন আগে উনি নাকি রাশিয়াতে গিয়ে নির্বাচন পদ্ধতি দেখে এসেছেন। রাশিয়াতেও একই অবস্থা। যে সরকারে থাকে সে প্রধানমন্ত্রী হয় না হলে প্রেসিডেন্ট হয়। ওটা আরও মজার জিনিস। একই লোক বারবার প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী হচ্ছে। বাংলাদেশের সঙ্গে তার কোনো পার্থক্য নাই। ওটা দেখে এসেছেন তিনি (সিইসি)। দিনের বেলা কিভাবে ভোট চুরি করা যায় সেটা ট্রেনিং নিয়ে এসেছেন। এই চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, মানুষের অধিকার হরণ করার এই যে ভয়াবহ প্রচেষ্টা, এটাকে আমাদের রুখে দাড়াতে হবে। বিএনপির সহপ্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলীমের পরিচালনায় আলোচনাসভায় আরও বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ঢাবির অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, দিলারা চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভূইয়া জুয়েল প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category