• বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০৪:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
এএসপি আনিস হত্যা মামলায় বাবার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই: শেখ হাসিনা আগামী বাজেটে মূল্যস্ফীতি রোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে: অর্থ প্রতিমন্ত্রী অ্যামাজন-শেভরন-বোয়িং বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী অবৈধ সম্পদ অর্জন: স্ত্রীসহ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবেলা আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বেনজীর-আজিজকে সরকার প্রটেকশন দেবে না: সালমান এফ রহমান ভিকারুননিসায় যমজ বোনকে ভর্তির নির্দেশ হাইকোর্টের এবারও ধরাছোঁয়ার বাইরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি পটুয়াখালীর দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

পুলিশে নিয়োগ নিয়ে প্রতারণা, ময়মনসিংহে গ্রেপ্তার ৩

Reporter Name / ২১১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
পুলিশে চাকরি দেওয়ার সুপারিশ ও টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং নিয়োগ পরীক্ষার ভুয়া প্রবেশপত্র তৈরির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন- জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার ছাবিল্লাহপুর গ্রামের ছামিউল আলম (৬৬), জেলার ফুলপুর উপজেলার কুড়িপাড়া গ্রামের মৃত হানিফ মিয়ার ছেলে জালাল উদ্দিন (৭৫) এবং মুক্তাগাছা উপজেলার রহিমবাড়ি গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে মারুফ মিয়া (১৯)। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জেলা গোয়েন্দা শাখার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত সোমবার মুক্তাগাছা, ফুলপুর ও জামালপুর থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি সফিকুল ইসলাম বলেন, ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ পরীক্ষা-২০২১ উপলক্ষে ময়মনসিংহ জেলায় একাধিক প্রতারকচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গ্রেপ্তার ছামিউল আলম নিজেকে একটি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পরিচয়ে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মোহা. আহমার উজ্জামানের সরকারের নম্বরে ফোন করে তার তিনজন প্রার্থীকে চাকরি দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন। বিষয়টি পুলিশ সুপার মোহা. আহমার উজ্জামানের সন্দেহ হলে তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জামালপুর মো. ছামিউল আলমকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় পুলিশ সুপারকে কল দেওয়া মোবাইলটি ও সিম জব্দ করা হয়। ওসি সফিকুল ইসলাম আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ছামিউল আলম একসময় পুলিশ বিভাগের অনিয়মিত খুচরা মোটরপার্টস সরবরাহকারী ঠিাকাদার হিসেবে কাজ করতেন বলে জানান। বর্তমানে তার পেশাগত কোনো পরিচয় নেই। তিনি বিভিন্ন সময় অতিরিক্ত সচিব পরিচয়ে বিভিন্ন দপ্তরে ফোনে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা করে আসছিলেন। ওসি বলেন, গ্রেপ্তার জালাল উদ্দিন পুলিশে চাকরি দেওয়ার নামে পাঁচজনের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে নেন। সেই পাঁচজনকে ঢাকার বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে ডাক্তারি পরীক্ষা করাতেন এবং তাদের টিম লিডার কামরুল মিয়া নামে এক প্রতারক মোবাইল ফোনে চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে ডিআইজি পরিচয়ে কথা বলে বিশ্বাস স্থাপন করাতেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার জালাল উদ্দিন দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা করে আসছেন বলে স্বীকার করেন। তার সঙ্গে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয় আছে বলে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন। ওসি সফিকুল ইসলাম বলেন, মো. মারুফ মিয়া কনস্টেবল পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার পর অনলাইনে আবেদন করেন। প্রাথমিক আবেদনেই তিনি বাতিল হয়ে যান। পরে মারুফ মিয়া চাকরি প্রার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের জন্য কম্পিউটারে সাহায্যে ভুয়া প্রবেশপত্র তৈরি করেন। সেই ভুয়া প্রবেশপত্র নিয়ে তিনি জেলা পুলিশ লাইন্সে হাজির হন। সেখানে মারুফ মিয়ার প্রবেশপত্র ভুয়া বলে নিশ্চিত হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মারুফ মিয়া মুক্তাগাছায় কম্পিউটারের দোকানে ভুয়া প্রবেশপত্রটি তৈরির কথা স্বীকার করেছেন। পরে রাতেই ওই কম্পিউটারের দোকানে অভিযান চালিয়ে কম্পিউটার জব্দ করা। তবে কাউকে পাওয়া যায়নি। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হবে বলেও জানান জেলা গোয়েন্দা শাখার এ কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category