• শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন
  • ই-পেপার
সর্বশেষ
ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা বেনজীরের অঢেল সম্পদে হতবাক হাইকোর্ট তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী দুয়েক সময় আমাদের ট্রলার-টহল বোটে মিয়ানমারের গুলি লেগেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম-নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সহকর্মীকে হত্যাকারী কনস্টেবল মানসিক ভারসাম্যহীন দাবি পরিবারের বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী চেকিংয়ের জন্য গাড়ি থামানো চাঁদাবাজির অংশ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সারা দেশে ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা কতজন জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট বান্দরবান থেকে কেএনএফের ৩১ জনকে পাঠানো হলো চট্টগ্রাম কারাগারে

বিএনপি নেতারা এখন ডাক্তার হয়ে গেছেন: তথ্যমন্ত্রী

Reporter Name / ১৩৪ Time View
Update : সোমবার, ২২ নভেম্বর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব, রিজভী সাহেব, খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ বিএনপির অনেক নেতা এখন ডাক্তার হয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি আরও বলেছেন, আ স ম রব সাহেব এখন বড় ডাক্তার। মান্নান সাহেবও ডাক্তার। তারা এখন ডাক্তারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। তারা বলছেন, বেগম খালেদা জিয়ার জীবন মরণাপন্ন বা সংকটাপন্ন। এভারকেয়ার হাসপাতাল বা বিশেষজ্ঞরা কিছু বলেননি। মাঝে মধ্যে বিএনপির ডাক্তাররা যারা রাজনীতি করেন, তারা কিছু কিছু কথা বলেন। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়া আগেও অসুস্থ ছিলেন, আমাদের দেশে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। তখনো বিএনপি বেগম জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর ধুয়া তুলেছিল, বিদেশে না পাঠালে বাঁচানো যাবে না। বাস্তবতা হচ্ছে তখনো দেশের চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন। তখনকার মতো এবারও একই ধুয়া তুলছেন। আসলে বেগম জিয়াকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার দাবিটা তার স্বাস্থ্যগত কারণ নয়। এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি। তারা বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করছেন। বেগম জিয়াকে নিয়ে রাজনীতি করা অনভিপ্রেত। আসলে উনারা হয়তো চান না বেগম জিয়া সুস্থ হোক। কারণ সুস্থ হলে স্বাস্থ্য নিয়ে যে রাজনীতি, এটি বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, বিএনপির এই পুরো দাবিটাই হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে বিদেশে পাঠানোর উদ্দেশ্য যে রাজনৈতিক দাবি, সরকার সে দাবি মানতে পারে না। কারণ তিনি একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। অবশ্যই বেগম জিয়া যেন সুচিকিৎসা পান, সেটা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রয়োজনে বেগম জিয়ার কী হয়েছে, সেটার জন্য বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসক দিয়ে মেডিকেল বোর্ড হতে পারে। সেই বোর্ড পরামর্শ দিতে পারে আসলে বেগম জিয়ার কী হয়েছে। সব দাবি তো মনে হচ্ছে যারা ভেতরে ভেতরে ডাক্তারি পাস করেছেন, মির্জা ফখরুল, রিজভী, খন্দকার মোশাররফ সাহেবসহ গয়েশ্বর বাবুও আছেন, তারা দিচ্ছেন। সুতরাং এগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এমপিদের পদত্যাগের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, তারা সব মিলিয়ে ছয়জন। তারা বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে পদত্যাগ করবেন। তাদের বক্তব্যে আমার মনে হচ্ছে, দেশের আর কোনো সমস্যা নিয়ে তারা চিন্তিত নন। দেশে আর কোনো সমস্যা নেই। বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যটাই একমাত্র সমস্যা। এ নিয়েই শুধু তারা ব্যস্ত আছেন। এই মুহূর্তে বেগম জিয়ার বিদেশ যাওয়া নিয়ে বিএনপি রাজপথে আছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমত তারা এ ধরনের দাবি বহুবার উপস্থাপন করেছেন। মাঝে মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অপচেষ্টাও তারা চালিয়েছেন। এবার যদি বিশৃঙ্খলা করার অপচেষ্টা হয়, জনগণ সেটি কঠোর হস্তে প্রতিহত করবে। সরকার জনগণের সঙ্গে থাকবে। শিক্ষার্থীদের অর্ধেক বাসভাড়ার প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে আমি নিজে হাফভাড়া দিয়েছি। তখন অনেক ক্ষেত্রেই হাফভাড়া ছিল। ছাত্রদের হাফভাড়ার দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ট্রান্সপোর্ট কোম্পানিগুলো বিবেচনা করতে পারে। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামকে সেট টপ বক্সের আওতায় আনার কথা ছিল সেটা কতটুকু সম্ভব এমন প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা শিগগির সেট টপ বক্স নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বসে অগ্রগতি পর্যালোচনা করবো। তারপর বলতে পারবো কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে। তাহলে কী আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই না, আমরা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসিনি। আমরা খুব সহসা ক্যাবল অপারেটরসহ অংশীজনদের সঙ্গে বসবো। অগ্রগতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবো। সেট টপ বক্স ভোক্তাদের কিস্তিতে দেয়ার কথা বলা হলেও অনেক ক্যাবল অপারেটর নাকচ করে দিয়েছে এ বিষয়টি কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ক্যাবল অপারেটরদের সঙ্গে বসবো, বসে অবশ্যই জনগণের ওপর যাতে কোনো রকমের চাপ তৈরি না হয় এবং বেশি দামে যেন সেট টপ বক্স বিক্রির জন্য বাধ্য করা না হয় সে বিষয়টি আমরা মনিটর করবো। সম্প্রতি রাজধানীর শাহবাগে একজন সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এ বিষয়টি কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রথম তো যার ওপর হামলা চালানো হয়েছে তার জন্য তীব্র নিন্দা জানাই এবং এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। এ বিষয়ে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আদালত তাকে জামিন দেননি জেলহাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং বিষয়টি আমরা মনিটরিং করছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category