• সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
  • ই-পেপার

যথাসময়ে শেষের লক্ষ্যে এগোচ্ছে বঙ্গবন্ধু টানেলের ছয় লেনের কাজ

Reporter Name / ৫৬ Time View
Update : শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধনের আগেই শেষ করতে হবে ক্রসিং থেকে আনোয়ারার কালাবিবির দীঘির মোড় পর্যন্ত ছয় লেন সড়কের চার লেনের কাজ। এরই মধ্যে ক্রসিং থেকে ফকিরনীর হাট এক কিলোমিটার, শাহমীরপুর থেকে ফাজিল খাঁর হাট দুই কিলোমিটার, ফাজিল খাঁর হাটের পর থেকে বড় উঠান পর্যন্ত এক কিলোমিটার এবং চাতরী চৌমুহনী বাজারের পর থেকে কালাবিবির দীঘির মোড় পর্যন্ত এক কিলোমিটারসহ মোট ৫ কিলোমিটার চার লেন সড়কের কাজ শেষ হয়েছে। বাকি তিন কিলোমিটার অংশের কাজ চলছে। কয়েকটি পয়েন্টে চলছে মাটি ভরাটের কাজ। এসব কাজ শেষ হলে সড়কে কার্পেটিংয়ের কাজ করা হবে বলে জানিয়েছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এনডিএ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। টানেলের ৯১ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী হারুনুর রশিদ। সওজ সূত্রে জানা যায়, টানেল সংযোগ সড়ক হিসেবে ক্রসিং ওয়াই জংশন থেকে কালাবিবির দীঘির মোড় পর্যন্ত ২৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮.১০ কিলোমিটার ছয় লেন সড়কের নির্মাণকাজ চলছে। ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এই সড়কের নির্মাণকাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিএ। শুরু থেকে এই প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পিডিবি এবং পল্লী বিদ্যুতের কয়েক শত খুঁটি। খুঁটিগুলো সরাতে পল্লী বিদ্যুৎ এবং পিডিবিকে অগ্রিম টাকা পরিশোধ করলেও তারা খুঁটিগুলো না সরানোয় উন্নয়নকাজে ধীরগতি হয়। এ ছাড়া চাতরী চৌমুহনী, ফাজিল খাঁর হাট, বড় উঠানসহ কয়েকটি স্থানে ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ছয় লেনের কাজ শেষ করা যাচ্ছে না। এছাড়াও ওয়াসা, সিইউএফএল, কর্ণফুলী গ্যাস পাইপলাইনের জন্য কালভার্ট নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সমস্যায় পড়তে হয়। এরপরও সব বাধা কাটিয়ে ডিসেম্বরে চার লেন যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। বাকি দুই লেনের কাজ শেষ করতে আরও এক বছর সময় বাড়ানো হয়েছে। সওজ’র উপ-সহকারি প্রকৌশলী (পটিয়া) মো. পারভেজ জানান, ক্রসিং ওয়াই জংশন থেকে কালাবিবির দীঘি পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু টানেল সংযোগ সড়ক রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট (কেপিএ)। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিএ’র বেইজ ক্যাম্প এলাকায় সওজ’র তত্ত্বাবধানে রয়েছে আধুনিক মানের ল্যাব। সেখানে প্রকল্পে ব্যবহৃত ইট, বালু, কংক্রিট, পাথর, বিটুমিন, এমএস রড- সবকিছু পরীক্ষার মাধ্যমে মান যাচাই শেষে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্মাণকাজে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। এ ছাড়া এই প্রকল্পের কাজের মান যাচাইয়ে সওজ’র দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিএ’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী সৈয়দ আবদুল হান্নান জানান, ক্রসিং থেকে কালাবিবির দীঘি মোড়ের সড়কের ১৬টি কালভার্ট নির্মাণ শেষ হয়েছে। প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় বিভিন্ন স্থানে আরও ৫টি কালভার্ট তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়। দিন-রাত কাজ চলছে। ছয় লেন প্রকল্পের ৬৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ আগামী তিন মাসের মধ্যে শেষ করা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category