• রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
এমপি আজীমকে আগেও তিনবার হত্যার পরিকল্পনা হয়: হারুন ঢাকাবাসীকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাতে সংসদীয় সরকারের বিকল্প নেই: ডেপুটি স্পিকার হিরো আলমকে গাড়ি দেওয়া শিক্ষকের অ্যাকাউন্টে প্রবাসীদের কোটি টাকা আশুলিয়ায় জামায়াতের গোপন বৈঠক, পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার ২২ এমপি আজীমের হত্যাকারীরা প্রায় চিহ্নিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পত্রিকার প্রচার সংখ্যা জানতে নতুন ফর্মুলা নিয়ে কাজ করছি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরে কোকেন উদ্ধারের মামলার বিচার শেষ হয়নি ৯ বছরও বিচারপতি অপসারণের রিভিউ শুনানি ১১ জুলাই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে ইউসেফ কাজ করছে: স্পিকার

শ্রম আইন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র টালবাহানা করছে: প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :
শ্রম আইন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র টালবাহানা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের শ্রম আইনের আরও উন্নতি চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে মতামত জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সম্মেলনেও এ শ্রম আইন নিয়ে কথা হয়েছে। এর আগেও আমরা আইনটি পাস করার পর্যায়ে ছিলাম, কিন্তু আইএলও থেকে অনুরোধ করা হলো, এটিকে আরও সমৃদ্ধ ও যুগোপযোগী করতে। সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে গত সংসদে আমরা আইনটি পাস করিনি। এবার তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে, পরে ২ মে যে বাজেট অধিবেশন শুরু হবে, সেখানে এ আইন নিয়ে কথাবার্তা হবে, পরামর্শ নিয়ে পাস করব। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় সবসময় শ্রমিকের পক্ষে। আবার মালিকদেরও গলা টিপে মেরে ফেলা যাবে না। হাঁস গলাটিপে মারলে সোনার ডিম পাওয়া যাবে না। আমরা চাই, সবাইকে সঙ্গে রেখে সমন্বয় করে একটি যুগোপযোগী শ্রম আইন পাস করতে। শ্রম আইন নিয়ে মার্কিন পরামর্শের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একটা টালবাহানা করছে। তারা একটা করলে আরেকটা দাবি করবে। যতক্ষণ না তাদের চাহিদা পূরণ করতে পারব, ততক্ষণ তারা আমাদের সঙ্গে এসব করতে থাকবে। পরাশক্তির অনেকগুলো হাত। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতালোভী নয়। তিনি বলেন, আমেরিকা বড় শক্তি। তাদের অবশ্যই পরোয়া করতে হয়। তাই বলে আমাদের স্বকীয়তা বিলিয়ে দিয়ে তাদের সঙ্গে আপস করতে রাজি নই। যুক্তরাষ্ট্র যেসব সুপারিশ দিয়েছে, সেসব আমরা নেব, তবে যাচাই-বাছাই করে। যেসব নিতে পারব না, বিনয়ের সঙ্গে বলবো—এসব নেওয়া যাচ্ছে না। আর যেসব নেব, তা তাদের জানাব। যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের বন্ধু আখ্যা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারা আমাদের সহায়তা করে। তারা বিভিন্ন খাতে আমাদের সুযোগ-সুবিধা দেয়। আমরা চেষ্টা করব, তাদের শর্ত রাখার জন্য। আমরা হয়তো অনেক সময় তাদের সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করি, তারপরও পারি না। আমাদের ভাগ্য খারাপ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category