• শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
  • ই-পেপার
সর্বশেষ
ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা বেনজীরের অঢেল সম্পদে হতবাক হাইকোর্ট তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী দুয়েক সময় আমাদের ট্রলার-টহল বোটে মিয়ানমারের গুলি লেগেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম-নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সহকর্মীকে হত্যাকারী কনস্টেবল মানসিক ভারসাম্যহীন দাবি পরিবারের বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী চেকিংয়ের জন্য গাড়ি থামানো চাঁদাবাজির অংশ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সারা দেশে ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা কতজন জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট বান্দরবান থেকে কেএনএফের ৩১ জনকে পাঠানো হলো চট্টগ্রাম কারাগারে

সরকারি চাকরিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Reporter Name / ১৭৯ Time View
Update : রবিবার, ২৬ জুন, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সরকারি চাকরিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করে শিগগিরই আইন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির ক্ষেত্রেও ডোস্ট বাধ্যতামূলক করে আইন সংশোধন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি একথা জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শুধু মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণই নয়, যুব সমাজকে মাদকদ্রব্যের ছোবল থেকে রক্ষার কাজও করছে বাহিনীগুলো। আর এজন্য প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদকের অনুপ্রবেশ ঠেকাতেও কাজ করছে সরকার। গত ২০২০-২১ সালে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ মাদক সংশ্লিষ্ট ২০ হাজারেরও বেশি মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি। ভয়ঙ্কর ইয়াবা ও আইস মিয়ানমার থেকে আসছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেদেশকে (মিয়ানমার) অনুরোধ করেছি, তারা কথা রাখেন না। ইয়াবা সাপ্লাই বন্ধ করতে বলেও কাজ হয়নি। তবে ভারত সরকার ইতোমধ্যে সীমান্তঘেঁষা ফেনসিডিল কারখানাগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। রোহিঙ্গাদের অনেকেই মাদক ব্যবসায় জড়িত বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তারা মিয়ানমার থেকে এ দেশে মাদক নিয়ে আসে। মিয়ানমার সীমান্তে ইতোমধ্যে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মাদকের সঙ্গে যারাই জড়িত; প্রশাসন বা রাজনীতিক সবাইকে আইনের মুখোমুখি করা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টোলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে।
এক বছরে ২০, ৫৯২ মাদক মামলা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশজুড়ে চালানো মাদকবিরোধী অভিযানে গত বছর ২১ হাজার ৯৯২ জনের বিরুদ্ধে বিশ হাজারের বেশি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আজ রোববার সচিবালয়ে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন তিনি। মন্ত্রী জানান, ২০২১ সালে এসব অভিযানে সারাদেশে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের ‘বিপুল পরিমাণ’ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। এসব ঘটনায় মামলা হয় মোট ২০ হাজার ৫৯২টি। মাদক পাচার এবং এর অবৈধ ব্যবহার বন্ধে পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র?্যাব, কাস্টমস ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। ১৯৮৮ সাল থেকে প্রতিবছর ২৬ জুন জাতিসংঘ ঘোষিত ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ পালিত হয়ে আসছে বিশ্বব্যাপী। এববছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘মাদকসেবন রোধ করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি’। মাদকের অপব্যবহার রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং মাদকাসক্তির চিকিৎসার বিষয়ে সবাইকে অবহিত ও উদ্বুদ্ধ করাই এ দিবস পালনের লক্ষ্য।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকবিরোধী শিক্ষামূলক গতানুগতিক প্রচার কার্যক্রমের বদলে সরকার ‘সৃজনশীল’ প্রচারণা চালা। মাদকাসক্তদের চিকিৎসা সেবা বাড়াতে সরকারি হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা বাড়ানর পাশাপাশি বেসরকারি নিরাময়কেন্দ্রের লাইসেন্স সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম তদারকির জন্য বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ওই কমিটিগুলো মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রগুলোর কাজ নিয়মিত নজরে রাখছে। আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, মাদকাসক্তদের চিকিৎসার একটি সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় মাদকবিরোধী কমিটি। একটি কারিগরি কমিটি অংশীজনদের সঙ্গে কর্মশালা ও সভা করে গাইডলাইনের খসড়া চূড়ান্ত করছে। মেথামফেটামিন মাদক আইস প্রসঙ্গে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আইস নামে একটি ভয়ঙ্কর মাদক মিয়ানমার থেকে এসেছে। মিয়ানমারকে আমরা বহু অনুরোধ করেছি, তারা অনেক কথা বলেন, কিন্তু কোনোটাই তারা কার্যকর করেন না। প্রতিশ্রুতি অনেক কিছুই দেন কিন্তু কোনোটাই কার্যকর করেন না। তাদের ইয়াবা সরবরাহ বন্ধ করার জন্য বলেছি। রোহিঙ্গারা ফাঁক-ফোকর দিয়ে ইয়াবা আনার চেষ্টা করছেন। মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবারের সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক, অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যব্স্থা নেওয়া হচ্ছে। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সক্ষমতাও বাড়ান হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category