• শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
স্বাস্থ্যসেবায় অভূতপূর্ব অর্জন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে: রাষ্ট্রপতি শান্তি আলোচনায় কেএনএফকে বিশ্বাস করেছিলাম, তারা ষড়যন্ত্র করেছে: সেনাপ্রধান বন কর্মকর্তার খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়: পরিবেশমন্ত্রী পুরান ঢাকার রাসায়নিক গুদাম: ১৪ বছর ধরে সরানোর অপেক্ষা ভাসানটেক বস্তিতে ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপন করা হবে : মেয়র আতিক রুমা উপজেলা সোনালী ব্যাংকের অপহৃত ম্যানেজার উদ্ধারের পর পরিবার কাছে হস্তান্তর সন্ত্রাসী দল কর্মকান্ড পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বান্দরবানে চলছে জমজমাট নাইট মিনিবার স্বাধীনতা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২৪ সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমেছে: প্রধানমন্ত্রী বান্দরবানে সোনালী ব্যাংকে লুটের ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে

১৬ জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কময় দিন: হানিফ

Reporter Name / ১৬৩ Time View
Update : শনিবার, ১৬ জুলাই, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৬ জুলাই কলঙ্কময় দিন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, সেদিন কোনো কারণ ছাড়াই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। দেশের জনগণ শেখ হাসিনার সঙ্গে আছে জেনেই সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে গ্রেপ্তার করে। দুর্নীতির কারণে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা কতটা হাস্যকর ছিলো তা আজ প্রমাণিত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হানিফ বলেন, ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই বঙ্গবন্ধু কন্যাকে গ্রেপ্তার করা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না। ২০০১ সালের নির্বাচনের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট গ্যাস রপ্তানির প্রস্তাব দিয়েছিল। তখন শেখ হাসিনা বলেছিলেন, দেশে গ্যাস ৫০ বছরের রিজার্ভ থাকলে রপ্তানি করবো। এরপর থেকে আমাদের প্রতি পশ্চিমাদের বিরূপ মনোভাব আছে। ১৯৭১ সালোর মহান মুক্তিযুদ্ধেও পশ্চিমা রাষ্ট্রটি বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। বাঙালিরা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল। পাকিস্তানের পাশাপাশি পশ্চিমা শক্তি এ পরাজয় মেনে নিতে পারেনি। যার কারণে দেশ স্বাধীনের সাড়ে তিন বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধুকে জীবন দিতে হয়। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ২০০১ সালের নির্বাচনে ষড়যন্ত্রের কাছে পরাজিত হয়েছিল। বিএনপি নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগ নাকি ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থেকে লুটপাট করেছে। দেশকে জঙ্গীদের অভয়ারণ্য করেছে। আওয়ামী লীগ সবসময় গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে, এর বাইরে যায়নি। ২০০৭ সালে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারে গোটা জাঁতি অবাক হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন শেখ হাসিনা। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ থাকলে খালেদা জিয়া তাকে ছেড়ে দিতেন না। শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য খালেদা জিয়া চেষ্টা করেছেন। গ্রেনেড হামলা করে বারবার তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি জানতো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা সম্ভব নয়। ১ কোটি ২০ লাখ ভুয়া ভোটার বানিয়েছিল। যেকোনোভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে ইয়াজদ্দিনকে দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে। বিএপি জানতো তাদের অপকর্মের কারণে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা সম্ভব ছিল না। কিন্তু জনগণের কারণে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এর বিকল্প ব্যবস্থা করে রেখেছিল পশ্চিমা বিশ্ব। নোবেলবিজয়ী ড. ইউনুস কোথায় শান্তি স্থাপন করেছিলেন এমন প্রশ্ন রেখে হানিফ বলেন, ড. ইউনুসের সুদের ব্যবসায় সর্বশান্ত হয়েছে অনেকে। মাইক্রো-ক্রেডিট অর্থনীতি নিয়ে কাজ করা ইউনুসকে মহাশক্তিধর রাষ্ট্র ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল দিয়েছে। কারণ শান্তিতে নোবেল দিতে বিচার বিশ্লেষণ লাগে না। ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো সক্রিয় আছে উল্লেখ করে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ড. ইউনূসরা জীবিত আছে। এখনো ষড়যন্ত আছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসুক তারা চায় না। কারণ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে দেশ উন্নয়ন, অগ্রগতিতে দ্রুত এগিয়ে যাবে। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফী। এছাড়াও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ বজলুর রহমান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category