ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | ই-পেপার

১০ বছর পর তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার

দৈনিক আইন বার্তা
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:২৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২০ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ ১০ বছর পর আলোচিত টনু হত্যা মামলায় প্রথমবারের মতো একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান। তাকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে কুমিল্লা সদর আমলী আদালত-১ এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক এ আদেশ দেন। এর আগে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গ্রেপ্তারকৃত হাফিজুর রহমানকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম জানান, হাফিজুর রহমানকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে কুমিল্লা আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

এর আগে চলতি মাসের ৬ এপ্রিল মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজনের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার অনুমতি চান। তারা হলেন- সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলম।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০টি শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত এক দশকে চারটি সংস্থার অধীনে সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

এদিকে, শুনানির সময় নিহত টনুর বাবা-মা এবং তার ছোট ভাই রুবেল হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় সোহাগী জাহান টনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং দ্রুত বিচার ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন চলে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

১০ বছর পর তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার

আপডেট সময়ঃ ০৬:২৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘ ১০ বছর পর আলোচিত টনু হত্যা মামলায় প্রথমবারের মতো একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান। তাকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে কুমিল্লা সদর আমলী আদালত-১ এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক এ আদেশ দেন। এর আগে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গ্রেপ্তারকৃত হাফিজুর রহমানকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম জানান, হাফিজুর রহমানকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে কুমিল্লা আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

এর আগে চলতি মাসের ৬ এপ্রিল মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজনের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার অনুমতি চান। তারা হলেন- সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলম।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০টি শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত এক দশকে চারটি সংস্থার অধীনে সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

এদিকে, শুনানির সময় নিহত টনুর বাবা-মা এবং তার ছোট ভাই রুবেল হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় সোহাগী জাহান টনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং দ্রুত বিচার ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন চলে।